গবেষণানির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক ব্যাংকিং সংস্কৃতি বিকাশের লক্ষ্যে প্রথম ফ্ল্যাগশিপ গবেষণা প্রকাশনা ‘ইকোনমিক আউটলুক ২০২৬: এনকোরিং ইনসাইট’ উন্মোচন করেছে সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি।
ব্যাংকের এমআইএস, রিসার্চ অ্যান্ড প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইউনিটের উদ্যোগে গত ২ আগস্ট ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে প্রকাশনাটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
প্রকাশনাটিতে বৈশ্বিক ও বাংলাদেশের অর্থনীতি, ব্যাংকিং ও আর্থিক খাত, পুঁজিবাজার, বৈদেশিক বাণিজ্য, রেমিট্যান্স, গুরুত্বপূর্ণ শিল্পখাত, টেকসই উন্নয়ন, জনমিতিক তথ্য এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে।
ব্যাংকটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, করপোরেট ব্যাংকিং, এসএমই, রিটেইল, ট্রেজারি, ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং ও রেমিট্যান্স কার্যক্রমে তথ্যনির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করাই এ প্রকাশনার মূল উদ্দেশ্য। পাশাপাশি পরিবর্তনশীল অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে কার্যকর বিশ্লেষণ ও অন্তর্দৃষ্টি দেওয়ার লক্ষ্যও রয়েছে।
মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাউথইস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খালিদ মাহমুদ খান, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক, জ্যেষ্ঠ নির্বাহী, বিভাগীয় প্রধান এবং দেশের বিভিন্ন শাখার ব্যবস্থাপকরা।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে এমআইএস, রিসার্চ অ্যান্ড প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইউনিটের প্রধান খায়রুল আনাম মহিউদ্দিন প্রকাশনাটির উদ্দেশ্য, গবেষণা কাঠামো, বিশ্লেষণ পদ্ধতি এবং প্রণয়ন প্রক্রিয়া তুলে ধরেন।
অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা আবিদুর রহমান চৌধুরী গবেষণাভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং গবেষণামুখী সাংগঠনিক সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান ঝুঁকি কর্মকর্তা মো. মাহবুব আলম বলেন, প্রকাশনাটি ব্যাংকের বিভিন্ন ব্যবসায়িক ইউনিটে তথ্যসমৃদ্ধ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে।
সমাপনী বক্তব্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খালিদ মাহমুদ খান বলেন, ‘ইকোনমিক আউটলুক ২০২৬: এনকোরিং ইনসাইট’ জ্ঞানভিত্তিক ও ভবিষ্যতমুখী আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সাউথইস্ট ব্যাংকের অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তিনি গবেষণা কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করে ব্যাংকের ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, উদ্ভাবন ও কৌশলগত পরিকল্পনায় সহায়ক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকটির পক্ষ থেকে গবেষণা, উদ্ভাবন ও বিশ্লেষণভিত্তিক উৎকর্ষতা আরও জোরদারের প্রত্যয়ও ব্যক্ত করা হয়।









