নভেম্বর অনুষ্ঠেয় পাঁচ দলের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের পাঁচটি দল চূড়ান্ত হয়ে গেছে। কয়েক সপ্তাহ আগে দলগুলোর স্পনসর চেয়ে বিসিবি বিজ্ঞাপন দিয়েছিল। তাতে সাড়া দিয়ে পাঁচটি ব্যবসা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান স্পনসরশিপ নিয়ে নিয়েছে। দলগুলোর নাম ও প্লেয়ার্স ড্রাফটের দিন-তারিখ চূড়ান্ত হয়ে গেছে। পাঁচটি বিভাগের নামে দলগুলোর নামকরণ করা হয়েছে। স্পনসর প্রতিষ্ঠানের নাম জুড়ে দেওয়া হয়েছে প্রতিটি বিভাগের আগে। বঙ্গবন্ধুর নামে এই টি-টোয়েন্টি খেলবে ফরচুন বরিশাল, বেক্সিমকো ঢাকা, মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী, জেমকন খুলনা ও গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম।
এই পাঁচ স্পনসর প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেক্সিমকো ও জেমকনের বিপিএলে দল পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। শনিবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিসিবি জানিয়েছে, অংশ নেওয়া দলগুলো ড্রাফটের মাধ্যমে খেলোয়াড় বেছে নিয়ে দল তৈরি করবে। ১২ নভেম্বর হবে প্লেয়ার্স ড্রাফট। শনিবার প্লেয়ার্স ড্রাফট নিয়ে বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান আকরাম খান বলেছেন, ‘আমরা ২১ বা ২২ তারিখের দিকে টুর্নামেন্ট শুরু করার পরিকল্পনা করেছি। তার আগে ১২ তারিখে ১১৩ জন খেলোয়াড় নিয়ে প্লেয়ার্স ড্রাফট অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে আমাদের ৯ ও ১০ তারিখে ফিটনেস টেস্ট আছে।’
ড্রাফট থেকে পাঁচ দলের প্রতিটি ১৬ জন করে খেলোয়াড় নিতে পারবে। ‘এ’ গ্রেড থেকে নেওয়া যাবে একজন খেলোয়াড়। ‘বি’ গ্রেড থেকে চারজন। ‘সি’ ও ‘ডি’ থেকে যথাক্রমে পাঁচ ও ছয় জন খেলোয়াড় নেওয়া যাবে। চারটি গ্রেডিংয়ের খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা হয়েছে। ‘এ’ ক্যাটাগরিতে আইকন ক্রিকেটাররা থাকবেন। ‘বি’, ‘সি’ ও ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে থাকবেন অন্যরা। জানা গেছে, যুব বিশ্বকাপজয়ীদের রাখা হচ্ছে ‘সি’ ক্যাটাগরিতে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট না থাকা এবং বিপিএল আয়োজন করতে না পারাতেই এ টুর্নামেন্টটি আয়োজন করছে বিসিবি। এই টুর্নামেন্টের পরই অবশ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পূর্নাঙ্গ সিরিজ রয়েছে বাংলাদেশের। সবমিলিয়ে সফলভাবে এই টুর্নামেন্টটি আয়োজন করা বিসিবির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আকরাম খানও তাই মনে করেন, ‘প্রথম যে আমরা টুর্নামেন্টটা করেছি, সেটি সফলভাবে শেষ করতে পেরেছি। এখন এই টুর্নামেন্টটাও যদি করতে পারি, ইনশাআল্লাহ আমরা ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজটাও আয়োজন করতে পারবো। ‘








