বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে চ্যাম্পিয়ন দল ও রানার্সআপ দলের জন্য কোনও প্রাইজমানি না থাকলেও খেলোয়াড়দের জন্য সেটি রেখেছে বিসিবি। চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড়দের প্রত্যেকে দেড় লাখ টাকা করে পাচ্ছেন। রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের প্রত্যেকে পাচ্ছেন ৭৫ হাজার টাকা করে। টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার হিসেবে মোস্তাফিজুর রহমানের প্রাপ্তি ৩ লাখ টাকা।
টুর্নামেন্টে ১০ ম্যাচ খেলে সর্বোচ্চ ২২ উইকেট নিয়েছেন গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। ১৭ উইকেট নিয়ে মুক্তার আলী ও ১৬ উইকেট নিয়ে কামরুল ইসলাম রাব্বি রয়েছেন মোস্তাফিজের পরের দুটি জায়গায়। মুক্তার-কামরুলের দল ফাইনালে যেতে পারেনি। স্বাভাবিকভাবেই তারা টুর্নামেন্ট সেরার দৌড়ে ছিলেন না। তবে সতীর্থ লিটন দাস ছিলেন তার সঙ্গে লড়াইয়ে।
১০ ম্যাচে সর্বোচ্চ ৩৯৩ রান করে সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক লিটন। কিন্তু দুজনের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জিতেছে মোস্তাফিজই। অবশ্য সেরা ব্যাটসম্যানদের পুরস্কার জিতেছেন লিটন। ১০ ম্যাচে তিন হাফসেঞ্চুরিতে ৪৯.১২ গড় ও ১১৯.৪৫ স্ট্রাইক রেটে লিটন ৩৯৩ রান করে টুর্নামেন্টের সেরা ব্যাটসম্যানের পুরস্কার জিতেছেন। পুরস্কার দুই লাখ টাকা। মোস্তাফিজ টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড়ের পাশাপাশি টুর্নামেন্টের সেরা বোলার হিসেবে বাড়তি দুই লাখ টাকা পুরস্কার পেয়েছেন।
এছাড়া ফাইনালে ৭০ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলা মাহমুদউল্লাহ ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতে অর্জন করেছেন এক লাখ টাকা। ৪৮ বলে ৮ চার ও ২ ছক্কায় মাহমুদউল্লাহর ৭০ রানের ইনিংসে ভর করেই খুলনা মোটামুটি বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। বিসিবি স্পেশাল পারফরম্যান্স অ্যাওয়ার্ড দিয়েছে চারজনকে। মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন, ফরচুন বরিশালের পারভেজ হোসেন, গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের শরিফুল ইসলাম এবং বেক্সিমকো ঢাকার রবিউল ইসলাম পুরস্কার হিসেবে এক লাখ টাকা করে পাচ্ছেন।
দলকে প্লে-অফে নিতে না পারলেও নাজমুল হোসেন ৮ ম্যাচে ১ সেঞ্চুরি ও ২ হাফসেঞ্চুরিতে৩০১ রান করেছেন। বরিশালের পারভেজ হোসেন ৯ ম্যাচে ১ সেঞ্চুরি ও ১ হাফসেঞ্চুরিতে ২৩৩ রান করেছেন। গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের তরুণ পেসার শরিফুল ১০ ম্যাচে ১৬ উইকেট নিয়ে সেরার তালিকার চার নম্বরে আছেন। ঢাকার স্পিনিং অলরাউন্ডার রবিউল ইসলাম ১৩ উইকেট নিয়ে স্পেশাল পারফরম্যান্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ।








