দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্টে বিধ্বস্ত হওয়ার পর স্বস্তি ফেরানো টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছিল শ্রীলঙ্কা। কিন্তু ওয়ানডেতে সূচনাটা ভালো হলো না তাদের। উদ্বোধনী ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে ৮ উইকেটে হেরেছে লঙ্কানরা। এ জয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকল দক্ষিণ আফ্রিকা।
পোর্ট এলিজাবেথের সেন্ট জর্জে’স পার্কে টস জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাটিং করতে পাঠায় প্রোটিয়ারা। সিদ্ধান্তটা ছিল তাদের পক্ষেই। ওয়েন পারনেল তার প্রথম দুই ওভারেই সফরকারী দুই ওপেনার নিরোশান ডিকওয়েলা (১) ও সান্দুন বীরাক্কোডিকে (৫) সাজঘরে পাঠান। স্বাগতিক এ পেসার আরও একটি উইকেট নিয়ে ইনিংসের যৌথ সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি।
পারনেলের মতোই তিন উইকেট নিয়ে লঙ্কানদের মিডল অর্ডারে চিড় ধরান স্পিনার ইমরান তাহির। বোলিংয়ের পুরো কোটা (১০ ওভার) পূরণ করে পারনেল যেখানে ৪৮ রান দেন, সেখানে মাত্র ২৬ রান দেন তাহির। দুটি উইকেট নেন ক্রিস মরিস। মাত্র ৪৮.৩ ওভারে ১৮১ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। সফরকারীদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬২ রান কুশল মেন্ডিসের।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে একটুও অসুবিধা হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। কুইন্টন ডি কক ব্যক্তিগত ৩৪ রানে সাজঘরে ফেরার পর ক্যারিয়ারের ৩১তম হাফসেঞ্চুরি করেন হাশিম আমলা। ৭১ বলে ৫৭ রানে আউট হন স্বাগতিক এ ওপেনার। দলীয় ১৩১ রানে এ দুটি উইকেটই কেবল হারায় প্রোটিয়ারা। মাত্র ৩৪.২ ওভারে ২ উইকেটের বিনিময়ে ১৮৫ রানে লক্ষ্যপূরণ করে তারা।
ফাফ ডু প্লেসিস ও ডি ভিলিয়ার্স অপরাজিত ৫৪ রানের জুটি গড়েন। ডু প্লেসিস ৬৭ বলে হাফসেঞ্চুরি করে অপরাজিত ছিলেন ৫৫ রানে। জয়সূচক বাউন্ডারি হাঁকান তিনি। অপর প্রান্তে ৩০ রানে টিকে ছিলেন ডি ভিলিয়ার্স। সূত্র- ক্রিকইনফো
/এফএইচএম/








