খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টানলেও ক্রিকেট নিয়েই আছেন হাবিবুল বাশার। এখন বাংলাদেশ দলের নির্বাচকের গুরুদায়িত্ব পালন করছেন তিনি। আরও একটি বড় দায়িত্ব যোগ হলো এবার তার সঙ্গে। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন তিনি। যে দায়িত্বটা পেয়ে গর্বিত সাবেক এই অধিনায়ক মনে করেন, ‘বড় মঞ্চে জ্বলে ওঠার সময় হয়েছে বাংলাদেশের।’
ইংল্যান্ডে হতে যাওয়া চ্যাম্পিয়নস ট্রফি শুরুর ৫০ দিন আগে টুর্নামেন্টের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে আট সাবেক ক্রিকেটারের নাম ঘোষণা করেছে আইসিসি, যার একজন হাবিবুল। এই প্রতিযোগিতার সবশেষ যে আসরে বাংলাদেশ খেলেছিল, সেই ২০০৬ সালের দলটির নেতৃত্বে ছিলেন সাবেক এই ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের আরেকটি যাত্রায় এভাবে যোগ হতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছেন তিনি। আইসিসির কাছে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ‘মিস্টার ফিফটি’ বলেছেন, ‘এই বছরের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির শুভেচ্ছা দূত হিসেবে নিয়োগ পাওয়াটা আমার কাছে অনেক বড় গর্বের ব্যাপার। আইসিসির কোনও ইভেন্টের উন্নয়ন কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার মতো তৃপ্তিদায়ক আর কিছু হতে পারে না। আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় আছি দায়িত্ব পালনের জন্য। আমার কাছে এটি দারুণ এক সুযোগ।’
১১ বছর আগের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশ বাছাইপর্ব থেকেই নিয়েছিল বিদায়। তিন ম্যাচের একটি জিতলেও মূল রাউন্ডে জায়গা হয়নি টাইগারদের। এবার অবশ্য গ্রুপ পর্ব থেকেই মিশনে নামবে মাশরাফিরা। তা ছাড়া ওই দলের সঙ্গে যে এখনকার দলের আকাশ-পাতাল ফারাক, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। হাবিবুলও তুলে ধরেছেন এই বিষয়টি, ‘এক দশকেরও বেশি সময় আগে বাংলাদেশ শেষবার খেলেছিল এই প্রতিযোগিতায়। সত্যি আমি এই ইভেন্টটি দেখার জন্য মুখিয়ে আছি; কারণ বাংলাদেশ এখন এমন এক দল, যারা প্রতিনিয়তই হারিয়ে দিচ্ছে বড় দলগুলোকে। তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মিশেলে দল এখন দারুণ ভারসাম্যপূর্ণ।’
১১১ ওয়ানডেতে ১৪ হাফসেঞ্চুরিতে ২,১৬৮ রান করা হাবিবুল তাই বাংলাদেশকে নিয়ে আশাবাদী, ‘গত কয়েক বছর ধরেই ভক্তদের প্রত্যাশার পারদ উঠেছে উপরে। আর আমার বিশ্বাস এই দলের খেলোয়াড়রা বিশ্বাসের মর্যাদা দেবে। আমার মনে হয়, বড় মঞ্চে জ্বলে ওঠার সময় হয়েছে বাংলাদেশের, আর সেটা চ্যাম্পিয়নস ট্রফির চেয়ে ভালো জায়গা আর কী হতে পারে না।’
/কেআর/







