টেস্ট ক্যারিয়ারে সাব্বির রহমানের বয়স অল্প। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে তিনি কেবল অষ্টম ম্যাচ খেলতে নেমেছেন। আর এখনই প্রতিপক্ষের সমীহ পেতে শুরু করেছেন বাংলাদেশের এ ব্যাটসম্যান। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে প্রথম দিনের খেলা শেষে অস্ট্রেলিয়ান স্পিনার নাথান লিওনের কাছে প্রশংসিত হলেন সাব্বির।
৬ উইকেটে ২৫৩ রানে দিনের খেলা শেষ করে বাংলাদেশ। এর মধ্যে ৫ উইকেটই নিয়েছেন লিওন। এ স্পিনারের বলেই আউট হলেও সাব্বির দুর্দান্ত প্রতিরোধ গড়েন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে। স্বাগতিকরা ১১৭ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর ১০৫ রানের ষষ্ঠ উইকেট জুটি গড়েন তারা দুজন।
ক্যারিয়ারসেরা ৬৬ রানের পথে চতুর্থ হাফসেঞ্চুরি হাঁকাতে সাব্বির খেলেছেন ৬২ বল। দারুণ সব স্ট্রোকে তিনি মেরেছেন ৬ চার ও ১ ছয়। তার মাঝে রোল মডেল হওয়ার গুণাবলী দেখছেন লিওন। ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলির ছায়া দেখতে পাচ্ছেন তিনি সাব্বিরের মাঝে, ‘সে একজন ভালো খেলোয়াড়। আমাকে বিরাট কোহলির কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে সে। উপমহাদেশের ভালো রোল মডেল হতে পারে সে।’
সাব্বিরের সাহসী পারফরম্যান্সে মুগ্ধ অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় শীর্ষ স্পিনার, ‘সে যেভাবে ক্রিজে নামে এবং যে শট খেলে সেটা তার চেতনার বহিঃপ্রকাশ। আমরা দেখলাম সে প্রতিরোধ করতে চায় না। গতি নিয়ে খেলতে চায়, এটা সাহসী ক্রিকেট।’
সাব্বিরকে ফিরিয়ে ইনিংসে নিজের পঞ্চম উইকেট তুলে নেন লিওন। লেগ সাইডে পুল করতে গিয়ে ভারসাম্য হারিয়ে স্টাম্পিং হন বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান। থার্ড আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে মাঠ ছাড়তে হয় সাব্বিরকে। এনিয়ে লিওন বলেছেন, ‘কয়েকটি সুন্দর শট খেলেছে সে। ভাগ্য তার দিকে ছিল। স্টাম্পিংটা আজ ভাগ্যের ব্যাপার ছিল। টেস্ট ক্রিকেটে এটাই আমার সেরা বল নয়। ভালো ক্রিকেটার সে। নিঃসন্দেহে আমাদের অবশ্যই তাকে অনেক শ্রদ্ধা করা দরকার।’
বাংলাদেশের রানের লাগাম টেনে ধরতে সকাল সকাল শুরু থেকে সব শক্তি নিয়ে ঝাপিয়ে পড়তে চায় অস্ট্রেলিয়া। লিওন আশাবাদী এ ব্যাপারে, ‘আমি জানি না কত স্কোর করলে ভালো হবে। এজন্য দুই দলকেই প্রথম ইনিংসের ব্যাটিং শেষ করতে হবে। কাল (মঙ্গলবার) তাড়াতাড়ি বাকি চার উইকেট ফেলতে চাই আমরা।’








