বাংলাদেশের কোচ হিসেবে আড়াই বছরে পূর্ণ স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করেছিলেন চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। দলে কাকে রাখা হবে, আর কাকে রাখা হবে না সেটাও ঠিক করতেন তিনি। মাঝেমধ্যে স্বাধীনতার অপব্যবহার করার অভিযোগও উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। তারপরও বাংলাদেশের অন্যতম সফল কোচ বলা যায় তাকে। এখন তিনি শ্রীলঙ্কার প্রধান কোচ। সেখানেও তিনি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন বলে আশ্বাস দিয়েছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট।
অবশ্য বাংলাদেশের মতো দল নির্বাচনের দায়িত্ব শ্রীলঙ্কায় পাচ্ছেন না হাথুরুসিংহে। তাছাড়া জবাবদিহিও তাকে করতে হবে বলে বোর্ড প্রেসিডেন্ট থিলাঙ্গা সুমাথিপালা জানালেন, ‘বিশ্বের অন্যতম সেরা কোচকে এনে তাকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে না দেওয়ার কোনও মানে নেই। আমি কোচ নই। আর কোচের দায়িত্ব সম্পর্কে বোর্ডের কেউই হাথুরসিংহের চেয়ে বেশি জানে না। তাকে আমাদের স্বাধীনতা দিতে হবে। কিন্তু আমাদের বিশ্বাস তিনি ভালোভাবে কাজ করবেন এবং প্রত্যাশা থাকবে, প্রয়োজন হলে আমাদের প্রশ্নের জবাবও দেবেন।’
তথ্য-উপাত্ত ও পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেন বলেই হাথুরুসিংহে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটে জায়গা করে নিয়েছেন। তাছাড়া স্বদেশী হওয়ায় খেলোয়াড়দের সঙ্গে বোঝাপড়াটাও ভালো হবে মনে করেন সুমাথিপালা। ২০০০ সালের পর থেকে নিয়োগ পাওয়া কেবল মারভান আতাপাত্তু ছিলেন শ্রীলঙ্কান কোচ। বোর্ড প্রধান বলেছেন, ‘খেলোয়াড়দের সঙ্গে হাথুরুসিংহের মানসিকতা মিলে যাবে। তবে সবচেয়ে বড় কথা সে শ্রীলঙ্কান। খেলোয়াড়দের সঙ্গে যোগাযোগ ও বোঝাপড়া ভালো হবে। আধুনিক কোচদের যে জ্ঞাণ থাকা উচিত, সেটা হাথুরুর আছে। প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে তিনি বিশ্ব মানের কোচদের একজন।’








