দুই বছর আগে দেশের মাটিতে আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আয়োজক ছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু পাকিস্তানের কাছে হেরে বিদায় নেয় সেমিফাইনাল থেকে। ওই টুর্নামেন্টে করা ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এবারের বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে তারা। অধিনায়ক এউইন মরগানের বিশ্বাস, স্বাগতিক ও ফেভারিট হওয়ার চাপ মোকাবিলা করে বিশ্বমঞ্চে সফল হবে তার দল।
২০১৭ সালে ফেভারিট হিসেবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি শুরু করেছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু কার্ডিফের মন্থর পিচে পাকিস্তান তাদের হারায়। ওই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ের পর বেশ উন্নত পারফরম্যান্স দেখা গেছে ইংলিশদের।
দলের তফাতটা ধরিয়ে দিলেন মরগান, ‘গত কয়েক বছরে আমাদের খেলার কৌশল বিকশিত হয়েছে। খুব আগ্রাসী খেলতাম আমরা। সেখান থেকে সরে এসেছি। ইতিবাচক আর প্রাণবন্ত ক্রিকেট খেলি আমরা। আমি খুব রোমাঞ্চিত।’
গত বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে বিদায় নেওয়ার পর মরগানের নেতৃত্বে ক্রান্তিকাল কাটিয়ে ওয়ানডে র্যাংকিংয়ে এক নম্বরে ওঠে ইংল্যান্ড। এই সময়ে ৮২ ওয়ানডে খেলে জেতে ৫৩ ম্যাচ। আবারও ফেভারিট হিসেবে খেলবে বিশ্বকাপে, তবে এই মর্যাদার চাপে ভেঙে পড়বে না ইংল্যান্ড।
মরগান বলেছেন, ‘চ্যাম্পিয়নস ট্রফি থেকে অনেকবার আমাদের গায়ে লেগেছে ফেভারিটের তকমা। ওই টুর্নামেন্টে আমরা কেবল সেমিফাইনাল পর্যন্ত গিয়েছিলাম। এরপর প্রত্যেক সিরিজে ফেভারিট হিসেবে সাফল্য পাওয়ার চেষ্টা করেছি। এখন ছেলেরা এনিয়ে ভাবে না। তারা যে ফেভারিট, একথায় অভ্যস্ত হয়ে গেছে। এখন আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়া।’
ডাবলিনে ৩ মে একমাত্র ওয়ানডেতে আয়ারল্যান্ডকে খেলবে ইংল্যান্ড। এরপর বিশ্বকাপের আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে একটি টি-টোয়েন্টি ও পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে অংশ নেবে স্বাগতিকরা। তাদের বিশ্বকাপ শুরু হবে ৩০ মে ওভালে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। আইসিসি








