বুধবার ডাবলিনে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে নিয়ম রক্ষার ম্যাচে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে নেমে ৫৯ রানে দুটি উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। কিন্তু দুইবার জীবন পাওয়া পল স্টারলিংয়ের ফিফটিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বাগতিকরা। তার সঙ্গে উইলিয়াম পোর্টারফিল্ডের হাফসেঞ্চুরিতে ৩৯ ওভারে ২ উইকেটে ১৮১ রান করেছে আইরিশরা।
৩১ রানে আয়ারল্যান্ডের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে বাংলাদেশ। রুবেল হোসেনের দ্বিতীয় ওভারে জেমস ম্যাককলামকে মাঠ ছাড়া করেন। চতুর্থ ওভারে লিটনক দাসকে ক্যাচ দেনে তিনি। প্রস্তুতি ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান ম্যাককলাম ১০ বলে একটি চারে মাত্র ৫ রান করে বিদায় নেন।
দ্বিতীয় উইকেটটি তুলে নেন আবু জায়েদ রাহী। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে গত সোমবার ওয়ানডে অভিষেকে ৯ ওভারে ৫৬ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন এই পেসার। অবশেষে ক্যারিয়ারের ১৪ ওভার পর প্রথম ওয়ানডে উইকেট শিকার করলেন রাহী। বিপজ্জনক ব্যাটসম্যান অ্যান্ড্রু বালবিরনিকে ফেরান তিনি ২০ রানে, পেছনে ক্যাচ ধরেন মুশফিকুর রহিম।
১৭তম ওভারে মোসাদ্দেক হোসেনের বলে একটি রান নিয়ে ফিফটি হাঁকানো স্টারলিং এরপর প্রতিরোধ গড়েন উইলিয়াম পোর্টারফিল্ডের সঙ্গে। তাদের শতাধিক রানের জুটিতে এগিয়ে যাচ্ছে আয়ারল্যান্ড। অবশ্য মোসাদ্দেক ও সাকিব আল হাসানের পরপর দুই বলে জীবন পান স্টারলিং। ২১তম ওভারের শেষ বলে লং অফে তাকে ডাইভ দিয়ে ক্যাচ নিতে পারেননি সাব্বির হোসেন। পরের ওভারের প্রথম বলে পয়েন্টে তার সহজ ক্যাচ মিস করেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
বিশ্বকাপের আগে সবাইকে ম্যাচ খেলার সুযোগ দিতে এ ম্যাচে পরিবর্তন এসেছে। সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ মিঠুন, মেহেদী হাসান মিরাজ ও মোস্তাফিজুর রহমানকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। তামিম ইকবালের সঙ্গে উদ্বোধনী জুটি গড়বেন লিটন দাস। মোসাদ্দেক ও রুবেলের সঙ্গে ফিরেছেন চোট কাটিয়ে ওঠা সাইফউদ্দিন।
পরীক্ষা-নিরীক্ষার এই ম্যাচে বাংলাদেশের দুই অধিনায়কের সামনে মাইলফলকের হাতছানি। অধিনায়ক হিসেবে উইকেটের সেঞ্চুরির পথে মাশরাফি। ৭৫ ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়ে ইতোমধ্যেই তুলে নিয়েছেন ৯৭টি উইকেট। এ ম্যাচে ৩টি উইকেট নিতে ওয়াসিম-ইমরান খানদের কাতারে পৌঁছাবেন তিনি। এছাড়া সহ-অধিনায়ক সাকিবও দাঁড়িয়ে আরেকটি মাইলফলকের সামনে। আইরিশদের বিপক্ষে ১টি উইকেট নিলে দ্রুততম ক্রিকেটার হিসেবে ২৫০ উইকেট ও ৫ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করবেন বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার।








