হঠাৎ করেই ঘোষণাটা দিলেন মোহাম্মদ আমির। পাকিস্তানের ২৭ বছর বয়সী পেসার জানালেন, আর টেস্ট খেলবেন না তিনি। ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টিতেই পুরো মনোযোগ দিতে চান। এজন্যই টেস্ট থেকে অবসরের নিয়ে ফেললেন তিনি।
২০০৯ সালে গলেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক হয় আমিরের। পরের বছরই কলঙ্কিত হয় তার ক্যারিয়ার। লর্ডসে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের দায়ে নিষিদ্ধ হন পাঁচ বছরের জন্য। প্রায় ছয় বছর সেই লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আবার টেস্টে ফেরেন আমির। কিন্তু দ্বিতীয় অধ্যায়ের তিন বছর না যেতেই লাল বলের ক্রিকেটকে বিদায় বললেন এই বাঁহাতি পেসার।
৩৬ টেস্টে ১১৯ উইকেট নিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন আমির, ‘ক্রিকেটের সবচেয়ে সেরা ও ঐতিহ্যবাহী ফরম্যাটে পাকিস্তানকে প্রতিনিধিত্ব করতে পারাটা ছিল সম্মানের। যাই হোক, সাদা বলের ক্রিকেটে পূর্ণ মনোযোগ দিতে আমি লংগার ভার্সন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
২০২০ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি নিতে চান এখন থেকে। দলে অবদান রাখতে চান সেরা পারফর্ম করে, ‘এখনও পাকিস্তানের জন্য খেলাই আমার সবচেয়ে বড় আকাঙ্ক্ষা। আগামী বছরের বিশ্ব টি-টোয়েন্টি সহ দলের পরবর্তী চ্যালেঞ্জগুলোতে অবদান রাখতে আমি সেরা অবস্থানে থাকতে চাই।’
আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ না খেলার হতাশা আমিরের কণ্ঠে, ‘এই সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ ছিল না। বেশ সময় নিয়ে আমি এটা ভেবেছি। কিন্তু আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ খুব কাছে এবং পাকিস্তান দারুণ কয়েকজন তরুণ খেলোয়াড়কে খুঁজে নেবে। নির্বাচকরা যেন পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে পারে, সেজন্য আমি টেস্ট ক্রিকেটে ইতি টানলাম।’
সবশেষে সবাইকে ধন্যবাদ জানালেন আমির, ‘লাল বলের ক্রিকেটের সব সতীর্থদের ধন্যবাদ জানাই, এমনকি প্রতিপক্ষদেরও। তাদের সঙ্গে ও বিপক্ষে খেলা ছিল সবসময় বিশেষ প্রাপ্তি। আর আমাকে সুযোগ দেওয়ার জন্য পিসিবিকেও ধন্যবাদ জানাই। আমার ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সময় বেশ কয়েকজন কোচকে পেয়েছি, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ আমি।’








