হারারেতে খেলার ক্ষেত্রে যে বিষয়টি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ, সেটি ধৈর্য। একমাত্র টেস্টের প্রথম ইনিংসের শুরুতে এই মানসিকতার পরিচয় দিতে ব্যর্থ ছিল বাংলাদেশ। তবে প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সেই মানসিকতাকে সঙ্গী করে। ২৫ ওভার শেষে স্বাগতিকদের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ৫৭ রান।
ক্রিজে আছেন কিতানো (১৮) ও মিল্টন শুম্বা (৩৭)।
অবশ্য বাংলাদেশের ইনিংসে শুরুতে ব্যাটসম্যানদের যে মানসিকতা দেখা যায়নি, জরুরি প্রয়োজনে পরে সেটিই দেখিয়েছেন লিটন দাস, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও প্রতিষ্ঠিত পেসার তাসকিন আহমেদ! লিটন ৯৫ রানে ফিরলে ১৬ মাস পর ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণে ফেরার উপলক্ষটা রাঙিয়ে নিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। টেস্ট ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরি পূরণ করে তিনি অপরাজিত ছিলেন ১৫০ রানে। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন পেসার তাসকিন। যেখানে প্রতিষ্ঠিত ব্যাটসম্যানরাই ব্যর্থ ছিলেন, তাসকিন সেখানে খেলেছেন ৭৫ রানের ইনিংস।তাতে প্রথম ইনিংসে পায় ৪৬৮ রানের বিশাল স্কোর।
এটি করতে নবম উইকেটে টেস্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটির নজির গড়েছেন দুজন। আর ৪টি রান যোগ হলেই মার্ক বাউচার ও প্যাট সিমকক্সের ১৯৫ রানের রেকর্ডে ভাগ বসাতে পারতেন। ১৯১ রানের জুটি ভাঙে তাসকিনের বিদায়ে।









