নিউজিল্যান্ডের উইকেট মানেই পেসারদের স্বর্গরাজ্য। তাই কিউই বোলিং বিভাগে প্রাধান্য থাকছে তাদের। তবে ওমন কন্ডিশন যে কোনও পেসারই মনের আনন্দে বোলিং করতে পারেন। এ কথা এজন্যই বলা হচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের পেসারদের উন্নতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে কতটা উন্নতি হয়েছে, কিউই কন্ডিশনে বোলিং করলেই বোঝা যাবে। বাংলাদেশ টেস্ট দলের অধিনায়ক মুমিনুলও সেই অপেক্ষায় আছেন।
পেসারদের মধ্যে তাসকিন আহমেদের কথা বিশেষ করে বলতেই হয়। নিজেকে হারিয়ে শ্রীলঙ্কা সফরে খুঁজে পেয়েছিলেন। জিম্বাবুয়ে সফরেও গতির ঝড় দেখিয়েছেন বল হাতে। ইনজুরির কারণে সর্বশেষ পাকিস্তান সিরিজে খেলা হয়নি যদিও। পাশাপাশি বোলিংয়ে ধার বেড়েছে শরিফুল ইসলাম, এবাদত হোসেন, আবু জায়েদ রাহীরও।
বাংলাদেশের পেস আক্রমণ নিয়ে তাই আত্মবিশ্বাস ঝরেছে মুমিনুলের কথায়, ‘আমাদের যে কয়েকজন পেসার আছে, সবাই কিন্তু দারুণ অবস্থাতে আছে। তাসকিন শেষ কয়েকটা টেস্টে খুবই ভালো বোলিং করেছে। এবাদত শেষ দুই টেস্টে ভালো করেছে। রাহীও ভালো অবস্থায়। ভালো করছে শরিফুল, খালেদ, শহিদুলও। আমার কাছে মনে হয়, এক দেড় বছরে আমাদের পেস আক্রমণ অনেক উন্নতি করেছে। নিউজিল্যান্ড সিরিজে ওদের বোলিং দেখতে আমি মুখিয়ে আছি। এই সিরিজে ওদের (পেসারদের) কাজটা একটু বেশি। ওদের নিয়ে আমি আত্মবিশ্বাসী।’
পেস সহায়ক হওয়ায় কন্ডিশনটা ব্যাটারদের জন্য কিছুটা কঠিন-ই। তার পরেও মুমিনুল উইকেট নিয়ে ভাবছেন না, ‘নিউজিল্যান্ডে আসার আগে উইকেট নিয়ে যেভাবে চিন্তা করেছি তেমনই আছে। নিউজিল্যান্ডে বিশেষ করে বিদেশি খেলার সময় মানইন্ডসেট গুরুত্বপূর্ণ। আগে যদি চিন্তা করি ওখানে ব্যাটিং করা চ্যালেঞ্জিং হবে, তাহলে খেলাটা আসলে কঠিনই হবে। আমার কাছে মনে হয় এখানে ব্যাটিং করে ব্যাটাররা উপভোগ করবে, বোলাররাতো ভালো অনুভব করবেই, সুন্দর উইকেট। প্রথম এক দেড়ঘণ্টা হয়তো চ্যালেঞ্জটা বেশি থাকবে।’








