অনেক নাটকের পর রাত ১১টার ফ্লাইটে দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশে উড়াল দিলেন সাকিব আল হাসান। বিমানে চাপার আগে বিমানবন্দরে সাকিব জানালেন, মানসিকভাবে স্বস্তি বোধ করছেন তিনি। এই মুহূর্তে দলের সঙ্গে যোগ দিতে মুখিয়ে আছেন বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার।
শুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ছুটি চান সাকিব। বিসিবি সাকিবের চাওয়া মতো ৫৩ দিনের ছুটি মঞ্জুরও করে। কিন্তু সাকিব দুবাই থেকে ফিরতেই চিত্রনাট্য পাল্টে যায়। শনিবার দুপুরে সাকিব-পাপন বৈঠক শেষে সাকিব জানান, দক্ষিণ আফ্রিকায় সব ফরম্যাট খেলতে চান তিনি।
রবিবার রাতে দেশ ছাড়ার আগে বিমানবন্দরে সাকিব জানান, দলের সঙ্গে থাকাটা সব সময়ই ভালো ব্যাপার, মজার ব্যাপার। শেষ ১৫ বছর ধরে আছি। সামনেও হয়তো থাকতে পারলে ভালো লাগবে। আশা করি দলের জন্য সবাই একটা ভালো রেজাল্ট আনতে পারবো।
বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ে দুবাই যাওয়ার আগে সাকিব জানিয়ে যান মানসিক ও শারীরিক অবসাদের জন্য তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় যেতে চান না। সতীর্থদের সঙ্গে গাদ্দারি করতে চান না, প্যাসেঞ্জার হয়ে থাকতে চান না। দেশ ছাড়ার আগে সাকিবের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল ড্রাইভিং সিটে সাকিবকে পাওয়া যাবে কিনা?
সাকিবের উত্তর, ড্রাইভিং সিটে কে না থাকতে চায়। অনেক সময় জায়গার পরিবর্তন হলে মানসিক অবস্থারও পরিবর্তন হয়। আমি ওই আশাটাই করছি। সতীর্থ, ম্যানেজমেন্ট, কোচিং স্টাফ সবাই আমাকে সহযোগিতা করেছে। আশা করছি এবারও তারা একইভাবে সহযোগিতা করবেন। আমি চেষ্টা করবো সেটার প্রতিদান দিতে।
সাকিব যখন দক্ষিণ আফ্রিকা পৌঁছাবেন, তখন বাংলাদেশ দল মাঠের প্রস্তুতি শুরু করবে। তামিম-মুশফিকরা কয়েকটা দিন বিশ্রামের সুযোগ পেলেও সাকিব সেটা পারছেন না। এমনকি প্রস্তুতিতেও ঘাটতি থাকছে সাকিবের, কাল (সোমবার) ট্রেনিং হলে ওই সময়ে আমি মাঠে উপস্থিত থাকবো। কিছুই মিস হচ্ছে না ওইভাবে। আমার ধারণা এনাফ প্রস্তুতির সময় আছে।
নিজের ব্যক্তিগত লক্ষ্য নিয়ে সাকিব বলেছেন, ব্যক্তিগত প্রত্যাশা কখনো ছিল না এখনও নেই। আমরা ওখানে হয়তো পাঁচদিন ছয়দিন অনুশীলন করবো। তবে এখানে ম্যাসিভ ইমপ্রুভমেন্টের জায়গা থাকে না। কিন্তু মানসিকভাবে আমরা যতটা প্রস্তুতি নিতে পারবো ততটা আমাদের জন্য ভালো হবে। আমার এবং দলগতভাবে সবাইকেই নিতে হবে। কেউ পারফর্ম করলো আমি করলাম না, সেটাও হলো না। সবাই একসঙ্গে পারফর্ম করলেই দলের ভালো ফল পাওয়া যাবে।








