পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার মঈন খানের ছেলে আজম খান। জাতীয় দলের হয়ে তিনটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। ২০২১ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক হওয়ার পর, একই বছর জুলাইতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই শেষ হয়ে যায় আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার! ২৪ বছর বয়সী এই উইকেটকিপার ব্যাটারের সঙ্গে সরাসরি চুক্তি করে খুলনা টাইগার্স। টিম ম্যানেজমেন্টর আস্থার প্রতিদান দিতে খুব বেশি সময় নিলেন না তিনি। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে বিস্ফোরক এক ইনিংসে তুলে নিয়েছেন টুর্নামেন্টের প্রথম তো বটেই নিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি।
ঢাকা ডমিনেটরসের বিপক্ষে আগের ম্যাচে ১৮ রানের ইনিংস খেলেছিলেন আজম। সোমবার (৯ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে তার ব্যাট যেন হয়ে উঠলো ধারালো কোনও তরবারি। প্রতিপক্ষ বোলারদের নাস্তানাবুদ করে ৫৮ বলে ১০৯ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে খুলনার স্কোরকে নিয়ে গেছেন ১৭৮ রানে। ৩৩ বলে ৫০ ছোঁয়ার পর পরের ৫০ তুলে নেন মাত্র ৫০ বলে। তার এই ইনিংসে ছিল ৮টি ছক্কার মার। চার নম্বরে ব্যাটিং নামার পর থেকেই চট্টগ্রামের বোলারদের ওপর চড়াও হন পাকিস্তানের এই ক্রিকেটার। ৫৮ বলে ৯ চার ও ৮ ছক্কায় ১০৯ রান করে শেষ পর্যন্ত অবিচ্ছিন্ন থাকেন তিনি। পুরো ইনিংসে মাত্র ১৮টি ডট বল দিয়েছেন। অর্থাৎ ৪০ বলে আজম ১০৯ রান করেছেন!
শেষ ওভারে আজম খানের সেঞ্চুরির জন্য প্রয়োজন ছিল ৮ রানের। কিন্তু দ্বিতীয় বলে সিঙ্গেল নিয়ে ননস্ট্রাইক প্রান্তে চলে যান আজম। তাতে শঙ্কা জাগে সেঞ্চুরি বঞ্চিত হওয়ার। কিন্তু পরের বলে ওয়াব রিয়াজ সিঙ্গেল নিয়ে সুযোগ আসে আজমের। মৃত্যুঞ্জয়ের শেষ তিন বলে কেবল সেঞ্চুরিই ছুঁয়ে দেখেন তিনি উইকেট কিপার এই ব্যাটার। ২ ছক্কা ও ১ চারে তুলে নেন টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। পাকিস্তান সুপার লিগ, ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ খেলার অভিজ্ঞতা থাকা এই ব্যাটারের এর আগে সেঞ্চুরি না থাকলেও ছিল দশটি হাফসেঞ্চুরি। সোমবার মিরপুরে টর্নেডো ইনিংস খেলে সেই খড়াও কাটালেন মঈন খানের ছেলে আজম খান।








