দ্বিতীয় টেস্টে লঙ্কান বোলিংকে সাধারণ মানে নামিয়ে প্রথম ইনিংসে ৪৯২ রান করেছিল আয়ারল্যান্ড। তাতে নিজেদের ‘নিরাপদ’ বলে ভাবতেও শুরু করেছিল। কিন্তু গলে শ্রীলঙ্কা চতুর্থ দিনটা এমনভাবে কাটালো তাতে জয়ের রসদও পেয়ে গেছে স্বাগতিক দল। ২১২ রানের লিড নিয়ে শ্রীলঙ্কা ৩ উইকেটে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করেছে ৭০৪ রানে।
লঙ্কানদের বিশাল পাহাড় গড়ার পর দেখা গেলো দুই উইকেট হারিয়ে ৫৪ রানে দিন শেষ করেছে আয়ারল্যান্ড। শেষ দিনে লঙ্কানদের আবার ব্যাটিংয়ে পাঠাতে তাদের আরও ১৫৯ রান টপকানোর কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। হাতে রয়েছে ৮ উইকেট।
শ্রীলঙ্কা ১ উইকেটে ৩৫৭ রান নিয়ে দিন শুরু করেছিল। মাদুশকা ১৪৯ রান নিয়ে চতুর্থ দিন শুরু করেছিলেন। কুশল মেন্ডিসও ব্যাট করছিলেন ৮৩ রানে। তার পর ব্যাটিংয়ে মাইলফলক সৃষ্টি করেছেন তারা। নিশান মাদুশকা মাত্র চতুর্থ টেস্ট ইনিংসে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ২২টি চার ও ১ ছক্কায় ২০৫ রানে ফিরেছেন তিনি।
জীবন পেয়ে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন কুশল মেন্ডিসও। তিনি অবশ্য ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাটিং করেছেন। ২৯১ বলে ফেরার আগে করেছেন ২৪৫ রান। এই ইনিংস খেলার পথে সবচেয়ে বেশি ছক্কা মারার রেকর্ডও গড়েছেন তিনি। বাংলাদেশের বিপক্ষে ২০১৪ সালে সর্বোচ্চ ছক্কা হাঁকানোর আগের রেকর্ডটি ছিল কুমার সাঙ্গাকারার- ৮টি। সেটি ভেঙে মেন্ডিস আজ ১১টি ছক্কা মেরেছেন।
দুটি ডাবলের দিনে ১৫তম টেস্ট সেঞ্চুরি পেয়েছেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ। তাও আবার ১১৪ বলে!
আজকে সাজঘরে ফেরা কোনও ব্যাটারই সেঞ্চুরি পূরণের আগে আউট হননি। শুধু দিনেশ চান্ডিমাল কাঁধে চোট পেয়ে রিটায়ার্ড হার্ট হয়েছেন।
তার পর আইরিশরা ব্যাট করতে নামলে ৩৮ রানের মধ্যে জেমস ম্যাককলাম ও পিটার মুরের উইকেট তুলে নেন লঙ্কান স্পিনাররা। প্রথম উইকেটটি নেন রামেশ। দ্বিতীয় উইকেটটি প্রবাথ।
দ্বিতীয় টেস্টে চতুর্থ দিন শেষে স্কোর:
আয়ারল্যান্ড প্রথম ইনিংসে ১৪৫.৩ ওভারে ৪৯২ (স্টার্লিং ১০৩, ক্যাম্ফার ১১১, বালবির্নি ৯৫; প্রবাথ ৫/১৭৪), দ্বিতীয় ইনিংসে: ৫৪/২ (মুর ১৯, বালবির্নি ১৮*, টেক্টর ৭*; রামেশ ১/১৭, প্রবাথ ১/২৮)
শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংসে ১৫১ ওভারে ৭০৪/৩ ডি. (মাদুশকা ২০৫, কুশল ২৪৫, ম্যাথুজ ১০০*; হিউম ১/৮৭, ক্যাম্ফার ১/১০১)।









