আগামী জুনে একমাত্র টেস্ট খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসবে আফগানিস্তান। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ডান হাতের আঙুলে আঘাত পাওয়ায় শেষ ওয়ানডে তো বটেই, সাকিব আল হাসান আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ থেকেও ছিটকে গেছেন। তবু আশা ছিল সিরিজের আগে হয়তো সুস্থ হয়ে উঠবেন তিনি। কিন্তু ফিজিওর তথ্য মতে সেই সম্ভাবনা একদম ক্ষীণ বলা চলে। ফলে নিয়মিত অধিনায়ক সাকিবকে ছাড়াই আফগানদের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে মাঠে নামতে হবে বাংলাদেশ দলকে।
আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও সাকিব যে খেলতে পারছেন না সেটা প্রায় নিশ্চিত। ফলে সাকিবের না থাকায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব কে দেবেন, তা নিয়েই চলছে আলোচনা। বিসিবির পরিচালক আকরাম খান জানিয়েছেন, কে অধিনায়ক হবে তার সিদ্ধান্ত বোর্ড নেবে। যদিও আকরাম খান সাকিবের না থাকায় বিন্দুমাত্র বিচলিত নন বলে জানিয়েছেন, ‘সে (সাকিব) খুবই গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। কিন্তু ইনজুরি থাকবেই, এটা নিয়ে আমরা খুব চিন্তিত নই। আমরা যে হারে খেলছি, এই সমস্যাটা থাকবেই। তারপরও ভালো ব্যাকআপ খেলোয়াড় আসছে, তরুণ খেলোয়াড় আসছে। পেস বোলিং ভালো হচ্ছে। আমার মনে হয়, ও থাকলে অবশ্যই শক্তি বাড়তো। ইতোমধ্যে যে টিম আছে, সেটাও ভালো। যদি সেন্সিবল ক্রিকেট খেলে তিনটা বিভাগে ভালো করতে পারি, তাহলে জিতবো।’
সাকিব না থাকায় আসন্ন সিরিজে নতুন নেতৃত্ব আসবে তা নিশ্চিত। সেটা কে হতে পারে? এমন প্রশ্নের জবাব দেননি আকরাম, ‘এটা তো পুরোপুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত। বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে কে অধিনায়ক হবে না হবে। এখন এই বিষয় নিয়ে কিছু বলা যাবে না।’
অধিনায়ক হিসেবে লিটনকেই বেছে নিতে পারে টিম ম্যানেজমেন্ট। সঙ্গে মিরাজ ও শান্তর নামও আসছে। তবে আকরাম খান বলেছেন, ‘ওরাই তো ফিউচার। যখনই এদের পিক করা হয়েছিল… কিছু প্লেয়ারের ক্যাপ্টেনসি গুণ থাকে। সেগুলো তাদের মধ্যে আছে। ৫-৬ জন্য ক্যান্ডিডেট আছে। এটা নির্ভর করছে বর্তমান অধিনায়ক আর সিলেক্টর-কোচের ওপর। ওরা মিলে সিদ্ধান্ত নেবে। তবে সম্ভাব্য ক্যাপ্টেনের তালিকায় ৫-৬ জন আছে।’
আফগানিস্তানের বিপক্ষে ২০১৯ সালে একটি মাত্র টেস্ট খেলেছিল বাংলাদেশ। চট্টগ্রামে হওয়া ওই ম্যাচে বাংলাদেশ হারের স্বাদ নিয়েছিল। এবার সুযোগ বদলা নেওয়ার। কিন্তু আফগান স্পিনাররা হুমকি হয়ে উঠতে পারেন- এমনটাই জানিয়ে রাখলেন সাবেক এই অধিনায়ক, ‘ওরা সবসময় স্পিনে আমাদের চেয়ে ভালো। ওদের এক্সট্রা অর্ডিনারি কিছু স্পিনার আছে। রশিদ খান আছে, মুজিব আছে। ওদের রিড করা ডিফিকাল্ট, তো আমাদের সেন্সিবল ক্রিকেট খেলতে হবে। যেন স্পিনে সুবিধা পাই, সেই ধরনের উইকেট হলে ভালো। তারপরও এটা নির্ভর করছে ক্যাপ্টেন এবং কোচ কী ধরনের উইকেট চাচ্ছেন।’









