নারীদের প্রিমিয়ার লিগে একজন করে বিদেশি ক্রিকেটার নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। যদিও নয় দলের মধ্যে মাত্র তিনটি দল বিদেশি ক্রিকেটার এনেছে। মোহামেডানে খেলছেন নারী আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে খেলা জম্মু-কাশ্মীরের ওপেনার জেসিয়া আক্তার। তার সেঞ্চুরিতেই বৃহস্পতিবার সিটি ক্লাবকে উড়িয়ে দিয়েছে মোহামেডান। জেসিয়া ছাড়াও রূপালী ব্যাংকে এসেছেন মহারাষ্ট্রের হয়ে খেলা মুক্তা রবীন্দ্র মাগরি। সিটি ক্লাব এনেছে কর্ণাটকের ফাস্ট বোলার প্রত্যুষা কুমারকে।
বিকেএসপিতে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মোহামেডান। ৫৪ রানে দুই ব্যাটার ফিরে যাওয়ার পর রুমানা আক্তারকে সঙ্গে নিয়ে জেসিয়ে গড়েন ১৫৭ রানের বিশাল জুটি। ১৪২ রান করে জান্নাতুল ফেরদৌস তিথির বলে জেসিয়া স্ট্যাম্পড হলে জুটি ভাঙে তাদের। ফেরার আগে ১০৪ বলে ১৫ চার ও ৮ ছক্কায় জেসিয়া নিজের ইনিংসটি সাজিয়েছেন।
জেসিয়ার আউটের এক ওভারের মধ্যে বিদায় নেন রুমানাও (৫৬)। তার আউটের পর দ্রুত বেশ কয়েকটি উইকেট হারায় মোহামেডান। শেষ দিকে সালমা খাতুনের ২৮ বলে ৩১ রানের ইনিংসে দাঁড়িয়ে মোহামেডান ৮ উইকেট হারিয়ে ২৯১ রান করেছে।
সিটি ক্লাবের বোলারদের মধ্যে কোহিনুর, জান্নাতুল ফেরদৌস ও জান্নাতুল ফেরদৌস তিথি প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।
এরপর ২৯২ রানের কঠিন লক্ষ্যে খেলতে নেমে সালমা ও রুমানার ঘূর্ণিতে কুপোকাত হয় সিটি ক্লাবের ব্যাটাররা। দলের স্কোরকার্ড ছিল মোবাইল ডিজিট। ১১ ব্যাটারের মধ্যে চারজন রানের খাতা খুলতে পারেননি। সর্বোচ্চ ৪১ রান এসেছে তিথির ব্যাট থেকে। ফাতেমা তুজ জোহরা খেলেন ২৮ রানের ইনিংস। সবমিলিয়ে ৪০.৫ ওভারে ১২১ রানে অলআউট হয়েছে সিটি ক্লাব। তাতে মোহামেডান ১৭০ রানের বড় ব্যবধানে জয় লাভ করেছে।
মোহামেডানের রুমানা ১৩ রানে তিনটি এবং সালমা ১৫ রানে তিনটি উইকেট নিয়েছেন। ব্যাট হাতে সেঞ্চুরি করার পর বল হাতে জেসিয়া নেন দুটি উইকেট। অলরাউন্ড নৈপুণ্যে দলকে জিতিয়ে ম্যাচ সেরাও হন তিনি।









