এশিয়া কাপে তিনবার ফাইনাল খেলেও শিরোপার স্বাদ পায়নি বাংলাদেশ। ২০১২, ২০১৬ ও ২০১৮ সালে ফাইনালে খেলা সবগুলো আসর ছিল ওয়ানডে ফরম্যাটে। এমনিতেই এই সংস্করণে শক্তিশালী বাংলাদেশ। আগামী ৩০ আগস্ট শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানে ওয়ানডে ফরম্যাটেই শুরু হবে এশিয়া কাপ। অতীত সাফল্য থেকেই সাবেক অধিনায়ক ও নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন এবারও বাংলাদেশকে ফাইনালে দেখছেন। আর এবার দল ফাইনালে উঠলে সাকিব আল হাসানদের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল বলে মনে হচ্ছে তার।
শনিবার মিরপুরে হাবিবুল বাশার বলেছেন, ‘সাবেক অধিনায়ক হিসেবে বলবো, এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন হয়। এখানে সেরা ক্রিকেটটাই খেলতে হবে। বাকি যে দলগুলো আছে, সবাই কিন্তু সময়ের সঙ্গে অনেক এগিয়েছে। গত ৪-৫ বছরের চেয়ে আফগানিস্তান অনেক এগিয়েছে, শ্রীলঙ্কাও গুছিয়ে নিয়েছে। ভারত, পাকিস্তান অনেক শক্তিশালী। এই ধরনের টুর্নামেন্ট সবসময়ই চ্যালেঞ্জিং হয়। এশিয়া কাপে বাংলাদেশ আগেও ফাইনাল খেলেছে। তখন আমরা জিততে পারিনি। আশা করছি, যদি এরকম পরিস্থিতিতে যেতে পারি, এবার হয়তো মিস করবো না।’
বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ৩১ আগস্ট শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। গ্রুপে তাদের পরের ম্যাচ আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৩ সেপ্টেম্বর।
এদিকে ১৯তম এশিয়ান গেমসের আসর বসতে চলেছে চীনে। ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এশিয়ার সেরা ইভেন্ট। এই গেমসের জন্য সম্ভাব্য সেরা দলটাই গঠন করা হয়েছে বলে জানালেন হাবিবুল বাশার, ‘এশিয়ান গেমসের দলটাও আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দেশের হয়ে খেলা। সেটাকে আমরা সেভাবেই গুরুত্ব দিচ্ছি। আমাদের যে পুলটা আছে, তাদের মধ্য থেকেই হচ্ছে।’
এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের অধিনায়ক হিসেবে সাইফ হাসানকেই বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানালেন তিনি, ‘অধিনায়ক ঠিক করার ক্ষেত্রে কিছুটা সময় নিতে হয়েছে। কারণ এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হচ্ছে। একবার পরিবর্তন করতে হয়েছে। কারণ এশিয়া কাপের দলটা দেওয়ার আগে আমরা এশিয়ান গেমসের দল ঠিক করতে পারছিলাম না। এশিয়া কাপ, বিশ্বকাপকে তো অগ্রাধিকার দিতে হবে। সেজন্য আমাদের দলটা পরিবর্তন করতে হয়েছে। সবশেষ ইমার্জিংয়ে সাইফ হাসান অধিনায়ক ছিল। এখনও আমরা (এশিয়ান গেমসের অধিনায়ক) ঠিক করিনি। তবে তার সম্ভাবনা বেশি।’









