টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বাবর আজম দারুণ ফর্মে। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ম্যাচে সিরিজের দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি করলেন পাকিস্তানের অধিনায়ক। সবশেষ চার ম্যাচে তিন ফিফটি করলেন তিনি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ৩৯তম ফিফটিতে ভারতের বিরাট কোহলিকে (৩৮) ছাপিয়ে গেলেন বাবর। তার সঙ্গে মোহাম্মদ রিজওয়ান ঝড়ো জুটি গড়ে আয়ারল্যান্ডকে ৬ উ্ইকেটে হারাতে চমৎকার অবদান রাখেন।
আয়ারল্যান্ডে প্রথম টি-টোয়েন্টি হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে রিজওয়ান ও ফখর জামানের জুটিতে জিতে যায় পাকিস্তান। সিরিজে সমতা ফেরানোর পর মঙ্গলবার আবারও রিজওয়ান জ্বলে উঠলেন, এবার সঙ্গ পেলেন বাবরের কাছ থেকে। দুজনের একশ ছাড়ানো জুটিতে তৃতীয় ম্যাচ জিতে সিরিজ ২-১ এ জিতলো পাকিস্তান।
আয়ারল্যান্ড আগে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১৭৮ রান করে। জবাবে বাবর ও রিজওয়ানের মাতম্র ৭৪ বলে ১৩৯ রানের জুটিতে সহজ জয়ের ভিত গড়ে পাকিস্তান। তারা দুজন জিতিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেননি। বাবর-রিজওয়ান আউট হলেও জয়ের কাজটা সহজ হয়ে যায়। আগের ম্যাচে ঝড় তোলা আজম খান ১৭তম ওভারের শেষ দুই বলে টানা দুটি ছয় মেরে দলকে জেতান। ১৭ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮১ রান করে পাকিস্তান।
ইনিংসের তৃতীয় ওভারে আয়ারল্যান্ডের ১৫ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন শাহীন আফ্রিদি। তারপর অ্যান্ডি বালবির্নি ও লরকান টাকারের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিকরা। বালবির্নিকে ৩৫ রানে রিজওয়ানের ক্যাচ বানান আব্বাস আফ্রিদি। ভেঙে যায় ৮৫ রানের জুটি।
হ্যারি টেক্টরকে নিয়ে টাকার আরেকটি শক্ত জুটি গড়ার আভাস দেন। তবে ৩২ রান যোগ করে তাদের বিচ্ছিন্ন করেন ইমাদ ওয়াসিম। ৪১ বলে ১৩ চার ও ১ ছয়ে ৭৩ রান করেন টাকার। অধিনায়ককে হারিয়ে আর উঠে দাঁড়াতে পারেনি আইরিশরা।
টেক্টর একাই লড়াই করে গেছেন শেষ পর্যন্ত। ২০ বলে ৩০ রান করেন তিনি। শাহীন ৪ ওভারে ১৪ রান দিয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন। ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি। দুটি উইকেট পান আব্বাস।
লক্ষ্যে নেমে পাকিস্তানের ওপেনিং জুটিও বড় স্কোর করতে পারেনি। দলীয় ১৬ রানে সাইম আইয়ুব (১৪) মাঠ ছাড়েন। তারপর রিজওয়ান ও বাবর অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন।
সমান তালে হাফ সেঞ্চুরির জন্য ছুটতে থাকেন দুই ব্যাটার। ৩০ বলে চারটি চার ও তিন ছয়ে ফিফটির দেখা পান বাবর। তার চেয়ে একটি বল বেশি খেলে পঞ্চাশ ছোঁন বাবর।
রিজওয়ান ৩৮ বলে চারটি চার ও তিন ছয়ে ৫৬ রান করে থামেন। তারপর দ্রুত বাবর ও ইফতিখার আহমেদ প্যাভিলিয়নে ফেরেন। ৪২ বলে ৬ চার ও ৫ ছয়ে ৭৪ রান করেন বাবর।
পাকিস্তানের সহজ জয় নিশ্চিত হয় আজমের ৬ বলে ১৮ রানের অপরাজিত ইনিংসে।









