ফেভারিটদের কাতারে ছিল না আফগানিস্তান। কিন্তু দুই ম্যাচ শেষে পঞ্চম দল হিসেবে সুপার এইটে ওঠার অপেক্ষায় তারা। পরের পর্বে চোখ রেখে শুক্রবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৬-৩০ মিনিটে পাপুয়া নিউগিনির মুখোমুখি হবে আফগানরা।
২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ স্বপ্নের মতো শুরু করেছে আফগানিস্তান। প্রথম ম্যাচে উগান্ডাকে উড়িয়ে দিয়েছে। তারপর নিউজিল্যান্ডকে ধসিয়ে দিয়ে সুপার এইটে এক পা রেখেছে তারা।
২০২২ সালে আগের আসরে আফগানিস্তান সুপার টুয়েলভে উঠেছিল। কিন্তু একটি জয়ও পায়নি। হেরে যায় তিন ম্যাচ এবং অন্য দুটি ভেসে যায় বৃষ্টিতে।
এই বছর তাদের সাফল্যে বেশিরভাগ কৃতিত্বের দাবি রাখেন ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ ও ইব্রাহিম জাদরান। উগান্ডার বিপক্ষে ১৫৪ রান করেন তারা এবং নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ছিল ১০৩ রানের জুটি। দুটো ম্যাচেই গুরবাজ করেন হাফ সেঞ্চুরি।
ওপেনিং জুটিতে দাপট দেখানোয় আফগানিস্তানের মিডল অর্ডারের ব্যর্থতা চাপা পড়েছে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর ৫৫ রানে পড়েছে ৬ উইকেট।
পাপুয়া নিউগিনির জন্য এই বিষয়টি হতে পারে আফগানিস্তানকে থামানোর দারুণ কৌশল। তাদের ওপেনিং জুটি বিচ্ছিন্ন করতে পারলে ভালো কিছু কররেও করতে পারে তারা। এখন পর্যন্ত জয় পায়নি নিউগিনি, কিন্তু লড়াই করে জাত চিনিয়েছে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ১৩৬ রান করেও তাদের চাপে রেখেছিল নিউগিনি। শেষ ওভারে গিয়ে জিততে পেরেছে ক্যারিবিয়ানরা। দ্বিতীয় ম্যাচে নিউগিনি মাত্র ৭৮ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল উগান্ডাকে। তারপর ঘাম ছুটিয়েছে তাদের। ৭ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছায় উগান্ডা।
এই ম্যাচে নিউগিনি পূর্ণ সমর্থন পাবে নিউজিল্যান্ড ভক্তদের। কারণ কিউইদের সুপার এইটের আশা শেষ হয়ে যেতে পারে এই ম্যাচেই। আফগানিস্তানের বিপক্ষে তারা নিউগিনির জয় চাইছে। কারণ এই ম্যাচ জিতলেই সুপার এইটের টিকিট পাবে আফগানরা, আর অকালেই ঝরে যাবে নিউজিল্যান্ড, যারা কি না ২০১৫ সাল থেকে আইসিসির বৈশ্বিক ইভেন্টের প্রত্যেকটিতে নকআউট খেলেছে।









