সরকার পতনে সৃষ্ট রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে। নিরাপত্তা শঙ্কায় বাংলাদেশে হতে যাওয়া নারীদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এখান থেকে সরে যাওয়ার উপক্রম। ভেন্যু হিসেবে আইসিসি বিকল্পের কথা ভাবছে। এই মুহূর্তে বিসিবির ভাবনা কী? এমন প্রশ্নে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন বল ঠেলে দিলেন রাষ্ট্রের কোর্টে।
দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বাংলাদেশে আগামী অক্টোবরের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হওয়ার বিষয়টি ঝুলে পড়েছে। কারণ বেশ কিছু অংশগ্রহণকারী দেশ বাংলাদেশ ভ্রমণে কড়াকড়ি আরোপ করেছে। এই বিষয়টির সমাধান করাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের বলে নিজামউদ্দিন জানাচ্ছেন, ‘আসলে এটা তো সিদ্ধান্তের ব্যাপার। আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছি। বাকি বিষয়গুলো কিন্তু সংস্থা বা রাষ্ট্র বুঝবে। এটা নিয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না। আমাদের সক্ষমতা বা অভিজ্ঞতা নিয়ে ওদের কোনও সন্দেহ নেই। তবে বিভিন্ন দেশের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাটা তাদের জন্য মূল চ্যালেঞ্জ।’
সিইও আরও বলেছেন, ‘নারী বিশ্বকাপের যে বিষয়টা রয়েছে, আপনারা জানেন যে আমরা পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসী সঠিক সময়ের মাঝে আমরা করতে পারবো। তারপরও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে, সরকারও খুবই প্রোঅ্যাকটিভ হয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, কাজ করছে। আপনারা জানেন এই সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথমদিনই আমাদেরকে ডাকা হয়েছিল বিশ্বকাপ সম্পর্কে আলোচনা করতে। পরবর্তীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকেও আমাদেরকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। দুটো বিষয়ই আইসিসির যারা দায়িত্বে আছেন, তাদেরকে অবহিত করেছি। আমরা আমাদের প্রস্তুতি নিয়ে খুশি।’
এদিকে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যালিসা হিলি মনে করেন, বাংলাদেশে বিশ্বকাপ খেলা ভুল কাজ হবে। কেন না বাংলাদেশ সফরের ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ারও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। বিষয়টির প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নিজামউদ্দিন ফের একই কথা বললেন, ‘আবারও বলছি সরকারও এটা খুবই গুরুত্ব সহকারে নিয়েছেন বলেই কিন্তু তাদের দায়িত্ব পাওয়ার প্রথম দিনেই আমাদের সঙ্গে দেখা করেছে। এবং এই বিষয়টা নিয়ে যোগাযোগ হয়েছে। এটা ভিসা নিষেধাজ্ঞা না, ভ্রমণ অ্যাডভাইজারিতে সতর্কতা আছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে আমাদের দেশে ভ্রমণের.... এই আলোকে সরকারও কাজ করছে এবং আপনারা তো বুঝতে পারছেন বিষয়টা কোনোভাবে ক্রিকেট বোর্ড বা আইসিসি পর্যায়ে সমাধান যোগ্য না। এটা রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের একটা বিষয় এবং এটা নিয়ে যদি অগ্রগতি হয়, তাহলে সিদ্ধান্ত দেখেই বুঝতে পারবেন।’








