পাকিস্তানকে হারিয়ে ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের আনন্দে মত্ত বাংলাদেশ দল। এই আনন্দ নিয়েই দুই ভাগে দেশে ফিরছে বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে দলের একাংশ বুধবার রাত সাড়ে এগারোটায় দেশে ফিরেছে। করাচি থেকে দুবাই আর দোহা হয়ে বাংলাদেশ দল দুই ভাগে দেশে ফিরছে। দুবাই হয়ে যারা এসেছেন, তাদের বহনকারী বিমানটি রাত এগারোটায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করে। বাকি যারা আছেন তারা দোহা হয়ে রাত ২টা ১৫ মিনিটে পৌঁছাবেন।
প্রথম গ্রুপে নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান মিরাজ, লিটন দাস, শরিফুল ইসলাম, সাদমান ইসলাম, নাহিদ রানা, খালেদ আহমেদ, তাইজুল ইসলামরা দেশে পৌঁছেছেন। বাকি ক্রিকেটাররা রাত ২টা ১৫ মিনিটে দেশে পা রাখবেন। বিমানবন্দরে বিসিবির পরিচালকরা ক্রিকেটারদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। এই সময় বিসিবির পরিচালকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নাজমুল আবেদীন ফাহিম, ইফতেখার আহমেদ মিঠু, ফাহিম সিনহা ও আকরাম খান।
দুই গ্রুপই আজ দেশে ফিরলেও সাকিব ফিরছেন না বাংলাদেশে। সাকিব করাচি ছেড়েছেন দুবাই হয়ে আসা সতীর্থদের সঙ্গে। তবে দুবাই থেকে দলের সঙ্গে দেশের বিমান না চেপে সাকিব লন্ডনের বিমানে চেপেছেন। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে সারের হয়ে সমারসেটের বিপক্ষে টন্টনের ম্যাচটি খেলবেন বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার। একটি মাত্র ম্যাচ খেলেই সাকিব চলে যাবেন ভারতে। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর ভারতের উদ্দেশে দেশ ছাড়বে টেস্ট স্কোয়াডের সদস্যরা।
ক্রিকেটারদের সঙ্গে কোচিং স্টাফদের বেশ কয়েকজন সদস্য আসেননি। তবে প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে ও ব্যাটিং কোচ ডেভিড হেম্প দলের সঙ্গে ঢাকায় এসেছেন। তারা ঢাকা থেকে অস্ট্রেলিয়াতে ছুটি কাটাতে যাবেন। সব কোচিং স্টাফই ফিরবেন ভারত সিরিজের প্রস্তুতি শুরুর আগেই।
ক্রিকেটাররা দেশে ফিরে অবশ্য খুব বেশি দিন ছুটি পাচ্ছেন না। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর অনুশীলন শুরু হবে। ইতোমধ্যে স্থানীয় কোচদের দিয়ে টি-টোয়েন্টি দলের অনুশীলন শুরু হয়েছে। ভারত সফরে দুটি টেস্ট ছাড়াও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ।
আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। পরের টেস্টটি ২৭ সেপ্টেম্বর। এরপর ৬, ৯ ও ১২ অক্টোবর তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলে আগামী ১৫ অক্টোবর বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হবে নাজমুল হোসেন শান্তরা।









