ড্রাগ টেস্টে পজিটিভ হওয়ায় এক মাসের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে নিউজিল্যান্ডের পেসার ডগ ব্রেসওয়েলকে। কোকেন সেবন করার প্রমাণ পাওয়া গেছে তার বিরুদ্ধে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ওয়েলিংটনের হয়ে সেন্ট্রাল ড্রিস্ট্রিক্টসের বিপক্ষে একটি ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ম্যাচে চমৎকার পারফরম্যান্সের পর করা পরীক্ষায় তার নমুনায় নিষিদ্ধ এই মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়।
ওই ম্যাচে ব্রেসওয়েল ২১ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। ১১ বলে ৩০ রানের ঝড়ো ইনিংসও খেলেন। দলের ৬ উইকেটের জয়ে নেন দুটি ক্যাচও। তাতে ম্যাচসেরাও হন তিনি।
স্পোর্ট ইন্টেগ্রিটি কমিশন নিশ্চিত করেছে, প্রতিযোগিতার বাইরের সময়ে ব্রেসওয়েল কোকেন সেবন করেছিলেন। এটি ম্যাচে তার পারফরম্যান্স সম্পর্কিত কিছু নয়। প্রাথমিকভাবে তাকে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল, পরে একটি চিকিৎসা কর্মসূচি সফলভাবে শেষ করায় তা কমে এক মাসে দাঁড়ায়।
এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে গত এপ্রিল থেকে। তার মানে শাস্তি এরই মধ্যে শেষ হয়ে গেছে। এখন তার ক্রিকেটে ফিরতে বারণ নেই।
স্পোর্ট ইন্টেগ্রিটি কমিশনের প্রধান নির্বাহী রেবেকা রোলস জোর দিয়ে বলেছেন, ‘তরুণ প্রজন্মের জন্য অ্যাথলেটদের ইতিবাচক উদাহরণ স্থাপন করার দায়িত্ব রয়েছে। তাদের কর্মকাণ্ড তরুণদের উপর প্রভাব ফেলে এবং তারা যেন সুস্থ ও দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত নেয় তা নিশ্চিত করতে হবে। বিনোদনমূলক মাদক, যেমন কোকেন ঝুঁকিপূর্ণ এবং অবৈধ। এগুলোর ব্যবহার যে কোনো স্তরের খেলাধুলার সংস্থা ও অ্যাথলেটদের জন্য একটি গুরুতর সমস্যা।’
নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট প্রধান নির্বাহী হতাশা ব্যক্ত করলেও ব্রেসওয়েলের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন, ‘ডগ তার ভুল স্বীকার করেছে। আমরা তাকে সামনে এগিয়ে যেতে সহায়তা প্রদান চালিয়ে যাবো, আমাদের প্রত্যাশার বিষয়ে সে যেন সম্পূর্ণ সচেতন থাকে।’
মাঠের বাইরের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ব্রেসওয়েলের ক্যারিয়ারে আরও আছে। মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে শাস্তি পেয়েছেন একাধিকবার। তবে ক্রিকেট ক্যারিয়ারে তার ছাপ পড়েনি। ২০১১ সালে আন্তর্জাতিক অভিষেকের পর ২৮ টেস্ট, ২১ ওয়ানডে ও ২০ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন তিনি। সবশেষ গত বছর মার্চে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়েলিংটন টেস্টে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দেন ৩৪ বছর বয়সী পেসার।









