দিল্লি ক্যাপিটালস পাত্তাই দিলো না সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। প্রথম দুই ম্যাচেই ব্যাটিং শক্তি দেখানো হায়দরাবাদ মিচেল স্টার্কের তোপে পড়ে সুবিধা করতে পারেনি। ১৬৩ রানের পুঁজি গড়ে তারা। অস্ট্রেলিয়ান পেসার তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে প্রথমবার পাঁচ উইকেট নিয়ে দিল্লিকে জয়ের পথ দেখান। লক্ষ্যে নেমে চার ওভার হাতে রেখে দাপট দেখিয়ে সাত উইকেটে জিতে যায় দিল্লি। টানা দুই জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে গেলো তারা। আর তিন ম্যাচে দ্বিতীয় হারে দুই পয়েন্ট নিয়ে সাতে নামলো হায়দরাবাদ।
টসে জিতে ব্যাটিং নেয় হায়দরাবাদ। শুরুতেই স্টার্কের তোপের মুখে পড়ে তারা। অস্ট্রেলিয়ান পেসার পাওয়ার প্লেতে নিজের সাত বলের মধ্যে তিন উইকেট নেন। আর প্রথম ওভারে অভিষেক শর্মাকে সরাসরি থ্রোয়ে রান আউট করেন নিগাম। ৩৭ রানে চার উইকেট হারায় হায়দরাবাদ।
খারাপ শুরুর পরও হায়দরাবাদ ঘুরে দাঁড়ায় আইনরিখ ক্লাসেন ও অনিকেত ভার্মার জুটিতে। ৭৭ রান তোলেন দুজনে মিলে। ক্লাসেন ১৯ বলে ৩২ রানে থামেন। তবে অনিকেত ৪১ বলে ৫ চার ও ৬ ছয়ে ৭৪ রানের ইনিংস খেলে দলকে টেনে তোলেন।
প্রথম তিন ওভারে ৩৩ রানে তিন উইকেট নেন স্টার্ক। ডেথ ওভারে শেষবার বল হাতে নিয়ে আরও হার্শাল প্যাটেল ও উইয়ান মুল্ডারকে ফিরিয়ে পাঁচ্ উইকেট পূর্ণ করেন তিনি। ১৮.৪ ওভারে ১৬৩ রানে অলআউট হায়দরাবাদ।
স্টার্ক ৩.৪ ওভারে ৩৫ রানে পাঁচ উইকেট নেন। এই প্রথমবার টি-টোয়েন্টিতে ফাইফার পেলেন তিনি এবং চলতি আসরে প্রথম কোনও ক্রিকেটার এই কীর্তি গড়লেন। আর সব মিলিয়ে দিল্লির হয়ে দ্বিতীয় বোলার হিসেবে পাঁচ উইকেট নিলেন তিনি। ২০০৮ সালে অমিত মিশ্র দলটির হয়ে প্রথমবার পাঁচ উইকেট শিকার করেন।
হায়দরাবাদকে অলআউট করতে কুলদীপ যাদব ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট।
লক্ষ্যে নেমে জেক ফ্রেসার-ম্যাকগুর্ক ও ফাফ ডু প্লেসির জুটিতে সহজ জয়ের ভিত গড়ে দিল্লি। দশম ওভারের প্রথম বলে ৮১ রানে ভাঙে ওপেনিং জুটি। ডু প্লেসি ২৭ বলে তিনটি করে চার ও ছয়ে ৫০ রানে থামেন। একই ওভারে ম্যাকগুর্ক (৩৮) জিশান আনসারির দ্বিতীয় শিকার হন।
হায়দরাবাদ বোলার তার পরের ওভারে লোকেশ রাহুলকে (১৫) বোল্ড করেন। ৩৪ রানের মধ্যে তিন উইকেট হারালেও দিল্লির জিততে সমস্যা হয়নি। অভিষেক পোরেল ও ট্রিস্টান স্টাবস ৫১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দলকে জেতান। ১৬ ওভারে ৩ উইকেটে ১৬৬ রান করে দিল্লি। ৩৪ রানে পোরেল ও ২১ রানে স্টাবস অপরাজিত ছিলেন।
জিশান চার ওভারে সর্বাধিক তিন উইকেট নিলেও সবচেয়ে খরুচে ছিলেন, দেন ৪২ রান।









