ফাইনাল থেকে আর এক ধাপ দূরে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। শুক্রবার তারা গুজরাট টাইটান্সকে ২০ রানে হারিয়ে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে উঠলো। সেখানে তাদের জন্য অপেক্ষা করে আছে লিগ পর্বের শীর্ষ দল পাঞ্জাব কিংস। গুজরাটকে বিদায় নিতে হলো এলিমিনেটরে হেরে।
দুই দলের জন্যই এটি ছিল বাঁচামরার লড়াই। একজনকে নিতে হলো বিদায়। ২২৯ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম বল থেকে চাপে ছিল গুজরাট। তবে কুশল মেন্ডিস ও ওয়াশিংটন সুন্দরকে নিয়ে সাই সদুর্শনের ব্যাটে একটা সময় লক্ষ্য নেমে দাঁড়ায় ৪২ বলে ৮১ রানের, তখনও হাতে ছিল ৮ উইকেট! দ্বিতীয় উইকেটে কুশলকে নিয়ে ৩৪ বলে ৬৪ রানের জুটি গড়েন তিনি। পরের স্পেলে বুমরা বল হাতে নিয়ে নিজের শক্তি দেখালেন। ১৪তম ওভারে মাত্র চার রান দিয়ে ভাঙেন সুদর্শন ও ওয়াশিংটনের ৪৪ বলে ৮৪ রানের জুটি। তাতেই ম্যাচ বদলে যায়।
মূল লড়াই হয়েছে দুই দলের এক নম্বর ব্যাটারের মধ্যে। মুম্বাইয়ের ওপেনার রোহিত শর্মা ৫০ বলে ৮১ রান করে দলীয় স্কোর শক্তিশালী করেন। জবাবে গুজরাটের ওপেনার সাই সুদর্শন যতক্ষণ ক্রিজে ছিলেন, ভুগিয়েছেন মুম্বাইকে। তিনি ৪৯ বলে ১০ চার ও ১ ছয়ে ৮০ রানে রিচার্ড গ্লিসনের বলে থামতেই জয়ের আশা শেষ হয় গুজরাটের। রোহিতকে ছাপিয়ে যেতে পারেনি তার দুর্দান্ত ইনিংস।
ওয়াশিংটনকে ফিরিয়ে সুদর্শনের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটের জুটি ভেঙে দিয়ে বুমরা ম্যাচের মোমেন্টাম পাল্টে দেন। ১৬তম ওভারে সুদর্শন আউট হলে বাকিদের লড়াইয়ে কেবল ব্যবধান কমেছে। শেষ দুই ওভারে তাদের লক্ষ্য বেড়ে দাঁড়ায় ৩৬ রানে। ট্রেন্ট বোল্ট ও অশ্বনী কুমার ১২ ও ৩ রান দেন। ৬ উইকেটে ২০৮ রানে থামে গুজরাট।
মুম্বাইয়ের পক্ষে বোল্ট সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন।
আগে ব্যাটিংয়ে নেমে জনি বেয়ারস্টোর সঙ্গে ৪৪ বলে ৮৪ রানের উদ্বোধনী জুটিতে দারুণ শুরু এনে দেন রোহিত। ইংলিশ ব্যাটার ২২ বলে ৪ চার ও ৩ ছয়ে ৪৭ রানে আউট হন। এরপর রোহিত ও সূর্যকুমার যাদবের ৩৪ বলে ৫৯ রানের জুটি বড় সংগ্রহের ভিতকে আরও শক্ত করে। সূর্যকুমার ৩৩ রানে থামেন। রোহিতের সেরা ইনিংসের সঙ্গে তিলক ভার্মার ১১ বলে ২৫ ও হার্দিক পান্ডিয়ার ৯ বলে ২২ রানের ক্যামিও ইনিংস ভালো অবদান রাখে। ৫ উইকেট হারিয়ে ২২৮ রান করে পাঁচবারের সাবেক চ্যাম্পিয়নরা।
প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা ও সাই কিশোর দুটি করে উইকেট নিয়ে গুজরাটের সফল বোলার। ম্যাচসেরা হয়েছেন রোহিত।









