বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ড ও ভারতের মধ্যে পঞ্চম ও শেষ টেস্ট। এর দুই দিন আগে ওভালে ঘটে গেলো অপ্রীতিকর ঘটনা। মঙ্গলবার ভারতের কোচ গৌতম গম্ভীর ওভালের প্রধান কিউরেটর লি ফর্টিসের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ালেন। গ্রাউন্টস্টাফের দিকে আঙুল তুলে সাবেক ভারতীয় ওপেনারকে বলতে শোনা যায়, ‘তুমি বলবে না, আমরা কী করবো?’
ভারতের ব্যাটিং কোচ সিতাংশু কোটাক বলেছেন, উইকেট থেকে সফরকারী দলকে আড়াই মিটার দূরে থাকতে বলার পর এই বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এই ব্যাপারে ভারতীয় দল কোনও অভিযোগ দায়ের করবে না বলে তিনি জানান।
কোটাক গণমাধ্যমকে জানান, ‘একজন গ্রাউন্ডস্টাফ এসেছিল, বললো উইকেট থেকে আড়াই মিটার দূরে থাকতে, ‘দড়ির ওপারে যাও, তারপর উইকেট দেখো। এমন কিছু আমি কখনও দেখিনি। এজন্য কোনও অভিযোগ দায়েরের প্রয়োজন নেই।’
এই ব্যাটিং কোচ জানান, ভারতীয় স্কোয়াডের সদস্যদের কারও জুতোয় স্পাইক ছিল না যে উইকেটের ক্ষতি করতো। তিনি বললেন, ‘এই ম্যাচের আগে আমাদের ধারণা ছিল এই কিউরেটর মানুষটা সঙ্গে কাজ করা সুবিধার নয়। কর্তৃত্বপরায়ণ হওয়া ভালো, কিন্তু বাড়াবাড়ি নয়। আমরা জগার্স পরা ছিলাম, কোনও স্পাইক ছিল না। বিপজ্জনক কিছু ছিল না।’
ট্রেনিং সেশনের সময় ভাইরাল হওয়া কিছু ভিডিওতে পরিষ্কার দেখা গেছে, হতাশ গম্ভীর এক পর্যায়ে কিউরেটরের সঙ্গে তর্কাতর্কি শুরু করেছেন। কোটাক পরিস্থিতি সামাল দেন।
ফর্টিস গম্ভীরকে বলছিলেন, ‘আমাকে এই ব্যাপারে রিপোর্ট দিতে হবে।’ ভারতীয় কোচ জবাব দেন, ‘যাও, যা খুশি রিপোর্ট করো।’ কোটাক সঙ্গে সঙ্গে কিউরেটরকে অন্যখানে নিয়ে যান এবং বলেন, ‘আমরা তো কোনও কিছুর ক্ষতি করিনি।’ আরেকজন ভারতীয় সাপোর্ট স্টাফ এবং বোলিং কোচ মরনে মর্কেল ও সহকারী কোচ রায়ান টেন ডেসকাট নির্লিপ্ত হয়ে বাকবিতণ্ডা শুনছিলেন।
তর্কাতর্কি শেষ হতে ফের পেছনে ফিরে গম্ভীর বলছিলেন, ‘কী করতে হবে, সেটা তোমার বলার প্রয়োজন নেই। তুমি কেবলই একজন গ্রাউন্ডসম্যান, আর কিছু নও।’
পরে নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যান ফর্টিস ও গম্ভীর। ভারতীয় কোচ ফিরে যান নেট সেশন তদারকি করতে।
মাঠ ছেড়ে রুমে ঢুকে ফর্টিস বলেন, ‘এটা বড় ম্যাচ। সে (গম্ভীর) একটু বেশি স্পর্শকাতর।’









