আগে ব্যাটিং করে পাকিস্তান শাহীনস রানের পাহাড় গড়ে। সেই পাহড়ে চাপা পড়ে বাংলাদেশ ‘এ’ দল হয়েছে বিধ্বস্ত। পাকিস্তানের দেওয়া ২২৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে বাংলাদেশ ১৪৮ রানে অলআউট হয়। ডারউইনে টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৭৯ রানের জয় পায় পাকিস্তান শাহীনস।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের বোলারদের পাড়ার বোলার বানিয়ে স্কোরবোর্ডে ২২৭ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় পাকিস্তান। জবাবে খেলতে নেমে প্রথম ওভারেই ফেরেন নাঈম শেখ, ৪ বলে ৫ রান করেন তিনি। এরপর জিসান আলম ও সাইফ হাসান মিলে দলের রানের গতি বাড়ান। দুইজন মিলে ৩৮ বলে দ্রুত ৮৬ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ৯২ রানের মাথায় জিসান আউট হতেই ফের বিপর্যয়ে পড়ে যায় বাংলাদেশ। জিসান ১৭ বলে ৩৩ রান করে আউট হন।
তবে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেছেন সাইফ হাসান। ৩২ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় তিনি খেলেন ৫৭ রানের ইনিংস। এরপর নিয়মিত বিরতিতে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। তাতে ১৬.৫ ওভারে দেড়শর আগেই অলআউট হয় তারা। ২২ রান আসে অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহানের ব্যাট থেকে। বাকি ব্যাটারদের মধ্যে কেউই দুই অঙ্কের ঘরে রান করতে পারেননি।
তিনটি করে উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে দেন সাদ মাসুদ ও ফয়সাল আকরাম। এছাড়া পাকিস্তানের হয়ে তিন ফরম্যাটে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা থাকা মোহাম্মদ ওয়াসিম নেন দুটি উইকেট।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাফাহ ও ইয়াসির খান ১১৮ রানের জুটি গড়েন। নাফাহ ৬১ রানে আউট হওয়ার পর দ্রুত বিদায় নেন ইয়াসিরও (৬২)। দ্রুততম সময়ে দুই উইকেট হারালেও রানের চাকায় লাগাম পড়েনি পাকিস্তানের। উল্টো আব্দুল সামাদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের বোলারদের আরও চেপে ধরে তারা। তার সঙ্গে থাকা মোহাম্মদ ফাইক ১০ বলে ১৮ রান করে রাকিবুল হাসানের বলে ফিরে গেলে সামাদের সঙ্গে তার ৫৯ রানের জুটি ভাঙে। এরপর সামাদের সঙ্গে যোগ দেন পাকিস্তান শাহীনসের অধিনায়ক ইরফান খান। তিনি ১২ বলে ২৫ এবং আব্দুল সামাদ ২৭ বলে ৫৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। আর তাতেই নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২২৭ রানের সংগ্রহ পেয়ে যায় পাকিস্তান।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে রাকিবুল হাসান, হাসান মাহমুদ ও মাহফিজুর রহমান রাব্বি প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নিয়েছেন।







