প্রথম দিন শেষে দ্বিতীয় টেস্টে সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৯০ ওভারে ২৯২/৪ (লিটন ৪৭*, মুশফিক ৯৯*; সাদমান ৩৫, জয় ৩৪, শান্ত ৮, মুমিনুল ৬৩)
মিরপুরে টস জিতে ফিফটি প্লাস রানের ওপেনিং জুটির পর প্রথম সেশনে ৩টি উইকেট হারিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছিল বাংলাদেশ। তার পর অবশ্য তারা ঘুরে দাঁড়ায় দারুণ প্রতিরোধে। দ্বিতীয় সেশনে মুমিনুল হক-মুশফিকুর রহিম মিলে গড়েন প্রতিরোধ। তৃতীয় সেশনে চায়ের বিরতি থেকে মুশফিক ২৮তম টেস্ট ফিফটি তুলে নিলেও ৬৩ রানে কাটা পড়েন মুমিনুল। তাতে ভাঙে ১০৭ রানের জুটি। এর পর অসাধারণ ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান মুশফিকুর রহিম। লিটনকে নিয়ে যোগ করেন ৯০* রান। দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে প্রথম দিন শেষে স্বাগতিকদের স্কোর দাঁড়িয়েছে ৪ উইকেটে ২৯২ রান। মুশফিক শততম টেস্টে বিরল সেঞ্চুরির জন্য আর এক রান দূরে রয়েছেন। লিটন ব্যাট করছেন ৪৭ রানে।
মুশফিকের ফিফটির পর আউট মুমিনুল
চায়ের বিরতি থেকে ফিরেই ফিফটি তুলে নিয়েছেন মুশফিক। তাতে শততম টেস্টটাকে স্মরণীয় করতে এগিয়ে চলেছেন তিনি। তুলে নিয়েছেন ২৮তম টেস্ট ফিফটি। তবে তার পরের ওভারেই অবশ্য ম্যাকব্রাইনের বলে ৬৩ রানে কাটা পড়েন মুমিনুল। তাতে ভেঙেছে ১০৭ রানের জুটি। মুমিনুলের ১২৮ বলের ইনিংসে ছিল মাত্র একটি চার।
দ্বিতীয় সেশনে মুমিনুল-মুশফিকের প্রতিরোধ
প্রথম সেশনে ৩ উইকেট হারালেও দ্বিতীয় সেশনে প্রতিরোধ গড়ে খেলেছে বাংলাদেশ। যার ফলে পুরো সেশনে আধিপত্য ছিল স্বাগতিকদের। চতুর্থ উইকেটে প্রতিরোধ গড়ে খেলেছেন মুমিনুল হক ও শততম টেস্ট খেলতে নামা মুশফিক। কোনও উইকেট না হারিয়ে এই সেশনে তারা যোগ করেন ৯২ রান।
এই সময় মুমিনুল জীবন পেয়েছেন। তুলে নিয়েছেন ২৪তম ফিফটি। তিনি অপরাজিত ৬২ রানে। মুশফিকও জীবন পেয়েছেন, অপরাজিত ৪৮ রানে।
চায়ের বিরতিতে যাওয়ার আগে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ১৯২ রান।
দারুণ শুরুর পর অস্বস্তি নিয়ে প্রথম সেশন শেষ বাংলাদেশের
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে মিরপুরে দুর্দান্ত সূচনা করেছিল বাংলাদেশ। দুই ওপেনার সাদমান ইসলাম ও মাহমুদুল হাসান জয় মিলে যোগ করেছিলেন ৫২ রান। প্রায় ঘণ্টাখানেক প্রতিরোধ গড়ে খেলেছিলেন তারা। দলের ৫২ রানে সাদমানকে (৩৫) ফিরিয়ে এই জুটি ভেঙে দেন আইরিশ অফস্পিনার ম্যাকব্রাইন।
সাদমানের আউটের পর প্রথম সেশনের বাকি সময়টা আর স্বস্তিতে শেষ করতে পারেনি স্বাগতিকরা। লাঞ্চের আগে ১২ রানের ব্যবধানে হারায় আরও দুই উইকেট। দলের ৮৩ রানে সেই ম্যাকব্রাইনের ঘূর্ণিতে কাটা পড়েন আরেক ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় (৩৪)। তখন চলছিল ২৬তম ওভার। তার পর ২৮তম ওভারে মাত্র ৮ রানে বোল্ড হন নাজমুল হোসেন শান্ত। এবারও হন্তারক সেই ম্যাকব্রাইন। তাতে প্রথম দিনের প্রথম সেশনে ৩ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে তাদের স্কোর ৩ উইকেটে ১০০। ক্রিজে আছেন মুমিনুল হক (১৭*) ও শততম টেস্ট খেলতে নামা মুশফিকুর রহিম (৩*)।
৫২ রানের ওপেনিং জুটি ভাঙলো সাদমানের বিদায়ে
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু করেন দুই ওপেনার সাদমান ইসলাম ও মাহমুদুল হাসান জয়। প্রায় ঘণ্টখানেকের প্রতিরোধে ৫২ রান যোগ করেন তারা। দুই ব্যাটারের মধ্যে সাদমানই ছিলেন বেশি মারমুখী। ১৩.৪ ওভারে এসে সাদমানকে ফিরিয়ে জুটি ভেঙেছেন ম্যাকব্রাইন।
আয়ারল্যান্ড অফস্পিনারের ঘূর্ণিতে ৩৫ রানে এলবিডাব্লিউ হন বাংলাদেশ ওপেনার। সাদমানের ৪৪ বলের ইনিংসে ছিল ৬টি চারের মার। তুলনায় জয় ছিলেন ভীষণ সতর্ক।
মুশফিকের শততম টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
সিলেটে প্রথম টেস্ট এক ইনিংস ও ৪৭ রানে জিতেছে বাংলাদেশ। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট জয়ের লক্ষ্যে আজ মিরপুরে মাঠে নেমেছে স্বাগতিকরা। শেষ টেস্টটি আবার বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের মাইলফলকও। এই ম্যাচেই বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলতে নেমেছেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। তার মাইলফলক টেস্টটিতে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছে বাংলাদেশ।
একাদশে কারা
বাংলাদেশের একাদশে পরিবর্তন দুটি। দুই পেসার হাসান মাহমুদ আর নাহিদ রানা এই টেস্টে বাদ পড়েছেন। তাদের জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন দুই পেসার এবাদত হোসেন ও খালেদ আহমেদ। আয়ারল্যান্ড দলেও পরিবর্তন দুটি। বাদ পড়েছেন ক্রেইগ ইয়াং ও ব্যারি ম্যাকার্থি। তাদের জায়গায় অভিষেক হয়েছে গ্যাভিন হোয়ে ও স্টিফেন ডোহেনির।
বাংলাদেশ একাদশ: মাহমুদুল হাসান, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, এবাদত হোসেন, খালেদ আহমেদ ও হাসান মুরাদ
আয়ারল্যান্ড একাদশ: অ্যান্ডি বালবার্নি (অধিনায়ক), পল স্টার্লিং, কেড কারমাইকেল, হ্যারি টেক্টর, কার্টিস ক্যাম্ফার, লরকান টাকান (উইকেট), জর্ডান নিল, অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন, স্টিফেন ডোহেনি, ম্যাথু হামফ্রিজ, গ্যাভিন হোয়ে








