রান তাড়ার বাকি ৬ ওভার। তখন পর্যন্ত সঠিক পথেই ছিল আয়ারল্যান্ড। তার পর দুনিথ ওয়েল্লালাগে ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার আঘাতে পর পর দুই উইকেট পড়লে ম্যাচে ফেরে লঙ্কান দল। ১৭তম ওভারে থিকশানার জোড়া আঘাতে ম্যাচের দৃশ্যপট বদলে যেতে থাকে দ্রুত। ধস নামলে আর পথ খুঁজে পায়নি তারা। শেষ পর্যন্ত ২০ রানে জিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু করেছে অন্যতম আয়োজক শ্রীলঙ্কা।
কলম্বোয় ১৬৪ রানের মাঝারি লক্ষ্য ডিফেন্ড নেমে শুরুতে চাপে ছিল লঙ্কান দল। ব্যাট হাতে আয়ারল্যান্ড লড়াইয়ে ছিল অনেকক্ষণ। ওপেনার রস অ্যাডায়ার ঝড়ো শুরু এনে দিয়েছিলেন। তিনি ৩৪ রান করে দলীয় ৫৬ রানের মধ্যে ফিরলেও হ্যারি টেক্টর ও লরকান টাকার তৃতীয় উইকেটে ৪৯ রানের জুটি গড়ে ইনিংস এগিয়ে নেন। তার পর টাকারকে (২১) ফিরিয়ে তৃতীয় উইকেট জুটি ভাঙেন ওয়েল্লালাগে।
হাসারাঙ্গা পরের ওভারে সেট ব্যাটার টেক্টরকে (৪০) তালুবন্দি করালে ম্যাচ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নেয় লঙ্কান দল। লঙ্কান স্পিনে ধস নামলে শেষ পর্যন্ত ১৯.৫ ওভারে ১৪৩ রানে অলআউট হয় আইরিশ দল। ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন হাসারাঙ্গা। ২৩ রানে তিনটি নেন মাহিশ থিকশানাও। ২৬ রানে দুটি নেন পাথিরানা।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই কামিল মিশারাকে হারালেও পাওয়ারপ্লেতে ভালো সংগ্রহ পায় শ্রীলঙ্কা। ৫০ রান তুলে নেয় তারা। এরপর পাথুম নিসাঙ্কা ও কুশল মেন্ডিস ৩৪ রানের জুটি গড়েন। তবে জর্জ ডকরেলের বলে ২৩ বলে ২৪ রান করা নিসাঙ্কা ফিরলে ভাঙে জুটি। পরের ওভারেই পাভান রত্নায়েকেকে আউট করে শ্রীলঙ্কাকে চাপে ফেলেন ডকরেল।
আইরিশ বোলাররা নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বাউন্ডারি আটকে রাখলে ১৫ ওভারে শ্রীলঙ্কার রান দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ৯৫। এরপর ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন কামিন্দু মেন্ডিস ও কুশল মেন্ডিস। পঞ্চম উইকেটে ৬৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন তারা।
কামিন্দু ৪টি চার ও ২ ছক্কায় মাত্র ১৯ বলে ৪৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে স্কোরবোর্ড সমৃদ্ধ করেছেন। অন্যদিকে, কুশল মেন্ডিসের ৪৩ বলে অপরাজিত ৫৬ রানের ইনিংসে ভর করে ৬ উইকেটে ১৬৩ রানের লড়াকু পুঁজি পায় শ্রীলঙ্কা। কুশলের ইনিংসে ছিল ৫টি চার।








