দ্বিতীয় ওয়ানডের সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ ২৩.৩ ওভারে ১১৪/১০ (রানা ৩*; তানজিদ ১, সাইফ ১২, শান্ত ০, লিটন ৪১, আফিফ ১৪, মিরাজ ১, রিশাদ ২, হৃদয় ২৮, মোস্তাফিজ ৪, তাসকিন ৫)
ফল: বৃষ্টি আইনে পাকিস্তান ১২৮ রানে জয়ী।
পাকিস্তান ৪৭.৩ ওভার শেষে ২৭৪/১০ (রউফ ২*; সাদাকাত ৭৫, ফারহান ৩১, শামিল ৬, সালমান ৬৪, রিজওয়ান ৪৪, তালাত ৯, সামাদ ১১, শাহীন ৩, ফাহিম ১৪, ওয়াসিম ১)
দ্বিতীয় ওয়ানডে জিতলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করতো বাংলাদেশ। কিন্তু সিরিজে সমতা (১-১) ফিরিয়েছে পাকিস্তান। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে বৃষ্টি আইনে হারিয়েছে ১২৮ রানে।
শুরুতে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য ছিল ২৭৫ রান। সেই লক্ষ্যে খেলতে নেমে ১৫ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় তারা। ৬.৩ ওভারে খেলা বৃষ্টির কারণে বন্ধ হলে বিরতির পর নতুন লক্ষ্য দাঁড়ায় বাংলাদেশের। বৃষ্টি আইনে ৩২ ওভারে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৪৩। সেই লক্ষ্যে খেলতে নেমে লিটন দাস দুর্দান্ত সূচনা করেছিলেন। টি-টোয়েন্টি মেজাজে খেলে রান তুলছিলেন তিনি। চতুর্থ উইকেটে যোগ করেন ৫৮ রান। সাদাকাতের ঘূর্ণিতে ৩৩ বলে ৪১ রান করা লিটন ফিরতেই দৃশ্যপট দ্রুত বদলে যেতে থাকে। তার পর আফিফ হোসনের আউটের পর ধস নামে ইনিংসে। শেষ পর্যন্ত ২৩.৩ ওভারে ১১৪ রানে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ।
২৩ রানে ৩ উইকেট নেন মাজ সাদাকাত। ম্যাচসেরাও তিনি। কারণ শুরুতে পাকিস্তানের ২৭৪ রানের ভিত গড়তে ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ভূমিকা রাখেন সাদাকাতই। ৪৬ বলে করেছেন ৭৫ রান। ২৬ রানে ৩টি নিয়েছেন হারিস রউফ। ২২ রানে দুটি নেন শাহীন আফ্রিদি। একটি করে নিয়েছেন মোহাম্মদ ওয়াসিম ও ফাহিম আশরাফ।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করেছে পাকিস্তান। ১০৩ রানের উদ্বোধনী জুটির পর ১৮ রানে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল তারা। সেখান থেকে আগা (৬৪) ও রিজওয়ান (৪৪) দলকে সামাল দিলেও আগার আউটের পর ধস নামে পাকিস্তানের ইনিংসে। ৩ উইকেটে ২৩১ রান থেকে শেষ পর্যন্ত ৪৩ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৭৪ রানে অলআউট হয় তারা।
মোস্তাফিজের বিদায়ে পড়লো নবম উইকেট
আট উইকেট হারানোর পর মোস্তাফিজুর রহমানও বেশিক্ষণ টেকেননি। তাকে ৪ রানে গ্লাভসবন্দি করান হারিস রউফ।
৮ উইকেট হারিয়ে পরাজয়ের মুখে বাংলাদেশ
লিটনের আউটের পর জুটি গড়ার চেষ্টায় ছিলেন আফিফ হোসেন ও তাওহীদ হৃদয়। কিন্তু খুব বেশি বড় হয়নি তাদের জুটি। ২২ রানের জুটি ভাঙে আফিফ হোসেনের বিদায়ে। মাজ সাদাকাতের ঘূর্ণিতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন ১৪ রানে। তার পরই ধস নামে ইনিংসে। একে একে বিদায় নেন মেহেদী হাসান মিরাজ (১), রিশাদ হোসেন (২) ও তাওহীদ হৃদয় (২৮)। মিরাজকে ফিরিয়েছেন ফাহিম আশরাফ, সাদাকাতের তৃতীয় শিকার ছিলেন রিশাদ। তার পর তাওহীদ হৃদয়কে লেগ বিফোরে ফিরিয়েছেন হারিস রউফ। তাতে ২০তম ওভারের মধ্যেই ১০৩ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে পরাজয়ের মুখে পড়ে যায় স্বাগতিকরা।
ঝড়ো গতিতে খেলতে থাকা লিটনকে থামালেন সাদাকাত
৩২ ওভারে লক্ষ্য ২৪৩ রান। তাই বৃষ্টি বিরতির পর টি-টোয়েন্টি মেজাজেই খেলতে শুরু করেন লিটন। ৩৩ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ রান করে ফেলেছিলেন। ১৩তম ওভারে সাদাকাতের ঘূর্ণিতে লেগ বিফোরে শেষ পর্যন্ত কাটা পড়েছেন। শুরুতে অবশ্য এলবিডাব্লিউর আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার। পরে পাকিস্তান রিভিউ নেওয়াতে মেলে সাফল্য।
বৃষ্টির পর ঝড়ো গতিতে রান তুলছিলেন লিটন। চতুর্থ উইকেটে তাওহীদ হৃদয়কে নিয়ে ৪৮ বলে ৫৮ রান যোগ করেছিলেন। বাংলাদেশ চতুর্থ উইকেট হারায় দলের ৭৩ রানে।
থেমেছে বৃষ্টি, খেলা শুরু হতে পারে কখন?
বৃষ্টিতে সন্ধ্যা ৭টা ২১ মিনিটে বন্ধ হয়ে যায় খেলা। সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী বৃষ্টি থামলেও বর্তমানে মাঠ শুকানোর কাজ চলছে। তবে ওভার কাটাও শুরু হয়ে গেছে। খেলা শুরু হবে রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে। কার্টেল ওভারে হবে ম্যাচ। ৩২ ওভারে বাংলাদেশের নতুন লক্ষ্য ২৪৩ রান। খেলা বন্ধ হয়েছে ৬.৩ ওভারে। অর্থাৎ বাকি ২৫.৩ ওভারে করতে হবে আরও ২১৬ রান!
বৃষ্টিতে বন্ধ খেলা
শুরুতে ৩ উইকেট তুলে বাংলাদেশকে চাপে ফেলেছে পাকিস্তান। তার পর লিটন হৃদয়কে নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকেন। কিন্তু ৬.৩ ওভারে বাগড়া দেয় প্রতিকূল আবহাওয়া। বৃষ্টি নামায় খেলা আপাতত বন্ধ রয়েছে।
তানজিদ, সাইফের পর দ্রুত ফিরলেন শান্তও
দুই বলে উইকেট হারানোর পর পঞ্চম ওভারে আবারও আঘাত হানেন শাহীন আফ্রিদি। তার গতিময় বলে বোল্ড হয়ে শূন্য রানে ফিরেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তাতে ১৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে রয়েছে স্বাগতিক দল।
টানা দুই বলে ফিরলেন তানজিদ-সাইফ
২৭৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে টানা দুই বলে উইকেট হারিয়ে ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। তৃতীয় ওভারের শেষ বলে তানজিদ তামিমকে ক্যাচ আউট করান শাহীন আফ্রিদি। পরের ওভারের প্রথম বলে মেরে খেলতে থাকা সাইফ হাসানকেও ক্যাচ আউটে সাজঘরে পাঠান ওয়াসিম। তানজিদ ৭ বলে ফিরেছেন ১ রানে। সাইফ ১২ বলে ২ চারে ১২ রান করেছেন।
পাকিস্তানকে ২৭৪ রানে থামালো বাংলাদেশ
সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ২৭৫ রান। টস হেরে শুরুতে ব্যাট করে ২৭৪ রানে অলআউট হয়েছে সফরকারীরা।
অথচ যেভাবে শুরু করেছিল তাতে বড় স্কোরের স্বপ্নই দেখছিল পাকিস্তান। ওপেনার মাজ সাদাকাত ঝড়ে ১৩ ওভারেই স্কোর ছিল বিনা উইকেটে ১০৩ রান। তার পর দ্রুত তিন উইকেট তুলে পাকিস্তানকে চাপে ফেলেছিল বাংলাদেশ। সাদাকাত ৪৬ বলে ৭৫ রান করে ফিরতেই ১২২ রানের মধ্যে বিদায় নেন সাহেবজাদা ফারহান ও শামিল হুসেইন। তার পর চতুর্থ উইকেটে জুটি গড়ে দলকে দুইশ ছাড়া করেন রিজওয়ান-সালমান আগা। তাদের ১০৯ রানের জুটি বড় স্কোরের স্বপ্নও দেখাতে থাকে। কিন্তু একই ওভারে সালমানের (৬৪) অদ্ভূত রান আউট ও রিজওয়ানের বিদায়ে ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। তার পর লোয়ার অর্ডারে ভালোই চাপ তৈরি করেন রিশাদ হোসেন। ধস নামায় পর্যাপ্ত রান তুলতে পারেনি সফরকারীরা। বাংলাদেশের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৪৭.৩ ওভারে পাকিস্তান থামে ২৭৪ রানে। ৫৬ রানে তিনটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। সবচেয়ে বেশি কৃপণ ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ৩৪ রানে দুটি মেডেনে নেন দুটি উইকেট। একটি করে নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানা।
ফাহিমকে ফেরালেন মোস্তাফিজ
শাহীনের আউটের পর শেষ ভরসা হয়েছিলেন ফাহিম আশরাফ। কিন্তু ৪৭তম ওভারে তাকে ক্যাচ আউটে ফেরান মোস্তাফিজুর রহমান। তাতে পাকিস্তান হারায় নবম উইকেট।
শাহীনের আউটে পড়লো অষ্টম উইকেট
শেষ দিকে এসে দ্রুত উইকেট তুলে পাকিস্তানকে চাপে ফেলেছে বাংলাদেশ। সেই চাপ কাটাতে পারেননি শাহীন আফ্রিদি। ডেথে রান বাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টায় শট খেলতে গিয়ে রিশাদের বলে ৩ রানে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন।
এবার একই ওভারে আউট তালাত, সামাদ
সালমানের অদ্ভুত আউটের পর আবারও রান আউটের ঘটনা ঘটেছে। ৪৩তম ওভারে এবার রান নেওয়ার তাড়া দেখাতে গিয়ে রান আউট হয়েছেন আব্দুল সামাদ। তার আগে রিশাদের বলে বোল্ড হয়েছেন হুসেইন তালাত (৯)। এক ওভারে আবারও দুটি উইকেট পতনে সপ্তম উইকেট হারিয়ে শেষে এসে চাপে পড়েছে সফরকারী দল।
একই ওভারে আউট সালমান-রিজওয়ান
দ্রুত ৩ উইকেট পতনের পর পাকিস্তানের ইনিংসটাকে একটা জায়গায় নিয়ে গেছেন মূলত রিজওয়ান ও সালমান আগা। চতুর্থ উইকেটে ১০৯ রান যোগ করেন তারা। যেখানে ফিফটির দেখা পান সালমান। ৩৯তম ওভারেই এই জুটি ভাঙায় আবার ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। শুরুতে অদ্ভূত এক রান আউটে বিদায় নেন সালমান। চতুর্থ বলে রিজওয়ানের শটে বল গিয়ে পড়ে বোলার মিরাজের কাছে। তিনি তখন সেটা পা দিয়ে আটকান। ততক্ষণে ক্রিজের বাইরে ছিলেন সালমান। তখনই আবার সালমান বল মিরাজের হাতে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি বল ধরার আগেই বাংলাদেশ অধিনায়ক বল ধরে পাকিস্তানি ব্যাটারকে রানআউট করে ছাড়েন। এর পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দিতে দেখা যায় সালমানকে। তিনি আউট হন ৬৪ রানে। তার ৬২ বলের ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ২টি ছক্কা। এর এক বল পর ক্যাচ দিয়ে ফেরেন রিজওয়ানও। পাকিস্তানি ব্যাটার ৫৯ বলে ৪৪ রানে আউট হয়েছেন।
আক্রমণে এসেই নাহিদের আঘাত
ওপেনার মাজ সাদাকাত ফিরতেই ছন্দপতন ঘটেছে পাকিস্তানের ইনিংসে। তাসকিনের পর আঘাত হেনেছেন নাহিদ রানা। প্রথম স্পেলে রান খরচ করলেও দ্বিতীয় স্পেলে ১৯.৩ ওভারে দারুণ এক ডেলিভারিতে উইকেট পেয়েছেন তিনি।নাহিদের বলে টপ এজ হয়ে ফিরেছেন শামিল হুসেন। ২২ বলে মাত্র ৬ রান করেছেন তিনি।
এবার সাহেবজাদাকে ফেরালেন তাসকিন
শুরুর জুটিতে সাদাকাত ঝড়ো ব্যাটিং করলেও শান্ত ভঙ্গিতে খেলেছেন অপর ওপেনার সাহেবজাদা ফারহান। সাদাকাতের আউটের পর শামিলকে নিয়ে কিছুক্ষণ ইনিংস মেরামত করলেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ১৮তম ওভারে তাসকিনের বলে মেলে খেলতে গিয়ে ডিপ থার্ডে তাওহীদ হৃদয়ের ক্যাচে পরিণত হয়েছেন। ফেরার আগে ফারহান ৪৬ বলে করেছেন ৩১ রান। তাতে ছিল দুটি চার।
সাদাকাতকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙলেন মিরাজ
শুরু থেকে বাংলাদেশের ওপর চড়াও হয়ে খেলছিলেন ওপেনার মাজ সাদাকাত। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৩১ বলে তুলে নিয়েছিলেন ফিফটি। শেষ পর্যন্ত ৭৫ রানে থেমেছেন পাকিস্তানের তরুণ ওপেনার। ১৩তম ওভারে মিরাজের বলে স্কুপ করতে গিয়ে লিটনের গ্লাভসে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন। তার ৪৬ বলের ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৫টি ছয়।
সাদাকাতের আউটে ভেঙেছে ১০৩ রানের ওপেনিং জুটি।
৩১ বলে সাদাকাতের ফিফটি
মিরপুরে টস হারলেও দুই ওপেনারে উড়ন্ত সূচনা করেছে পাকিস্তান। বিশেষ করে মাজ সাদাকাতের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে স্কোরবোর্ডে ভালো রান জমা করে তারা। সপ্তম ওভারেই দলের স্কোর ছাড়ায় পঞ্চাশ। অবশ্য সপ্তম ওভারে সাহেবজাদা ফারহানের বিপক্ষে এলবিডাব্লিউর আবেদন উঠলে আম্পায়ার আঙুল তুলেছিলেন। তার পর রিভিউ নিয়ে বেঁচেছেন ফারহান। তিনি শান্ত ভঙ্গিতে খেলতে থাকলেও সাদাকাত বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে খেলেছেন শুরু থেকে। নবম ওভারে ৩১ বলে তুলে নেন ঝড়ো ফিফটি। যা তার ক্যারিয়ারের প্রথম!
আবারও টস জিতে বোলিংয়ে বাংলাদেশ
২০১৫ সালে সর্বশেষ বাংলাদেশে ওয়ানডে সফর করে গেছে পাকিস্তান। সেবার তাদের হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পেয়েছিল বাংলাদেশ। ব্যাক টু ব্যাক সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে আজ দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও টস জিতে শুরুতে বোলিং নিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
প্রথম ওয়ানডেতে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে জিতেছে বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের বিপক্ষে সর্বনিম্ন রানে অলআউটের নজির গড়ে পাকিস্তান। নাহিদ রানার গতি ঝড়ে তারা ৩০.৪ ওভারে অলআউট হয়েছে ১১৪ রানে। ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেছেন রানা। ২৪ রানে নিয়েছেন ৫ উইকেট। জবাবে সেই লক্ষ্য তানজিদ তামিমের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ১৫.১ ওভারে ২ উইকেট হারিয়েই তাড়া করেছে বাংলাদেশ।
একাদশে কারা
বাংলাদেশ অপরিবর্তিত একাদশ নিয়েই খেলতে নামছে। পাকিস্তান একটি পরিবর্তন এনেছে। আবরার আহমেদ বাড় পড়েছেন, একাদশে ঢুকেছেন হারিস রউফ।
বাংলাদেশ একাদশ: সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান, তাওহীদ হৃদয়, নাজমুল হোসেন, লিটন দাস (উইকেটকিপার), আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা ও মোস্তাফিজুর রহমান।
পাকিস্তান একাদশ: সাহেবজাদা ফারহান, মাজ সাদাকাত, শামিল হুসেইন, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটকিপার), সালমান আগা, হুসেইন তালাত, আব্দুল সামাদ, ফাহিম আশরাফ, শাহীন আফ্রিদি (অধিনায়ক), মোহাম্মদ ওয়াসিম, হারিস রউফ।









