খেলা থেকে অবসরের পর কোচিং করিয়ে যাচ্ছিলেন বাংলাদেশ দলের সাবেক বাঁহাতি পেসার সৈয়দ রাসেল। কোচ হিসেবে গত কয়েক বছর খুলনা বিভাগীয় দলের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। তবে নতুন মৌসুম শুরুর আগে হঠাৎ করেই খুলনা বিভাগীয় দলের কোচের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে রাসেলকে। জাতীয় ক্রিকেট লিগ সামনে রেখে দলগুলো যখন প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখনই এসেছে এই পরিবর্তন।
পদ হারিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন এই সাবেক পেসার। তবে কয়েক ঘণ্টা যেতে না যেতেই সেই পোস্ট মুছে নতুন করে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সৈয়দ রাসেল লিখেছেন, ‘সম্প্রতি আমার একটি ব্যক্তিগত অনুভূতি ও অভিমানের জায়গা থেকে দেওয়া পোস্টকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন আলোচনা ও সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে নানা ধরনের ব্যাখ্যাও হচ্ছে। তাই পরিষ্কার করে বলতে চাই, আমার উদ্দেশ্য কখনোই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড, বোর্ডের সম্মানিত সভাপতি বা কোনো কর্মকর্তাকে অসম্মান করা কিংবা কোনো বিতর্ক সৃষ্টি করা ছিল না।’
তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘদিন ক্রিকেটের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে আমি সবসময়ই বোর্ডের সিদ্ধান্ত ও ক্রিকেটের বৃহত্তর স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা করেছি। একজন কোচ হিসেবে কোনো সিদ্ধান্তে আমার ব্যক্তিগতভাবে কষ্ট বা অভিমান থাকতেই পারে, কিন্তু সেটি কখনোই বোর্ডের সিদ্ধান্তের প্রতি অসম্মান নয়।’
বোর্ড যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটিকে দিসি সম্মান করেন উল্লেখ করে জাতীয় দলের সাবেক এই ক্রিকেটার বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রিকেটের স্বার্থে বোর্ডের সঙ্গে সবসময় ইতিবাচক সম্পর্ক ও সহযোগিতা বজায় রাখতে চাই। আমার আগের পোস্টটি যেহেতু ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা হওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে, তাই সেটি আমি সরিয়ে দিয়েছি। বিষয়টিকে আর কোনোভাবে বিতর্কে রূপ দিতে চাই না।‘
সৈয়দ রাসেল বলেন, ‘আমার কাছে ব্যক্তিগত অভিমান বা আবেগের চেয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট, ক্রিকেটারদের স্বার্থ এবং ক্রিকেটের সুন্দর পরিবেশ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যারা আমার শুভাকাঙ্ক্ষী, প্রিয় ক্রিকেটার, বন্ধু ও পরিচিতজন—সবার প্রতি অনুরোধ, বিষয়টি নিয়ে আর কোনো বিভ্রান্তি বা বিতর্ক তৈরি করবেন না। বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য আমার শুভকামনা ও ভালোবাসা সবসময়ই থাকবে।’









