এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে নতুন জার্সি পরে অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ দল। কমলা রংয়ের জার্সি দেখতে অনেকটাই ভারতের কপি বলে আলোচনা শুরু হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তবে জাতীয় দলের ম্যানেজার নাফিস ইকবাল তা মানতে নারাজ।
টি স্পোর্টসের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে জাতীয় দলের সাবেক ওপেনার বলেছেন, ‘এখানে কপি করার কিছু নেই, কপি কেন করবো? আলোচনা-সমালোচনা সবকিছুতেই থাকবে। তবে গুরুত্বপূর্ণ হলো যে আলোচনায় থাকাটা। আর এটা নিয়ে যেহেতু কালকে দেখলাম যে প্রচুর সোশ্যাল মিডিয়ায় কথাবার্তা চলছে, ভালো-খারাপ দুইটাই। ভালোগুলা দেখে ভালো লেগেছে কারণ যারা ট্রেন্ডি তারা বুঝে যে অরেঞ্জ ইজ নিউ ব্ল্যাক। অরেঞ্জই নতুন ফ্যাশন এবং আপনারা ক্রিকেটে... শুধু প্র্যাকটিস কিট নয়, আমি তো প্র্যাকটিস কিটটাকে সাইডেই রাখলাম। ম্যাচ কিটেও কিন্তু আপনি দেখবেন যে পতাকা বা ওইটার সাথে কিন্তু কোনও যোগসূত্র নাই। অস্ট্রেলিয়ার সাথে হলুদ, নিউজিল্যান্ডের সাথে কালো বা ভারতও কিন্তু নীল নিয়ে খেলে। তাই এটার সাথে পতাকার কোনও সম্পর্ক নেই।’
এরপরই তিনি যোগ করেন, ‘একটা টিম যখন একটা জার্সি নিয়ে খেলে, ওইটা নিজের করে ফেলে। আমরা নিজেদের বলে দাবি করি লাল আর সবুজ। প্র্যাকটিস কিটে কিন্তু এরকম কোনো ব্যাপার নাই। এবং যেই জায়গায়, যেই ইভেন্টে আমরা যাচ্ছি এটাই আসল বিবেচ্য এক্ষেত্রে। আমরা চেষ্টা করি কালারটা এমন দিতে যাতে আমরা আরও উজ্জ্বল এবং একতাবদ্ধভাবে নিজেদের ফুটিয়ে তুলতে পারি। এবং মাঠে যখন আপনি দেখবেন তখন এটারে অনেক বড় কিছু মনে হবে একটা টিম হিসেবে, যেটা আমরা পুরো দল হিসেবে যেটা চিন্তা করি। ওই জিনিসটা চিন্তা করেই কিন্তু কালারটা ওইভাবে চিন্তা করে রাখা।’
আলোচনা-সমালোচনা থাকলেও নতুন জার্সিতে খেলোয়াড়েরা খুশি বলে জানালেন নাফিস, ‘আমার প্লেয়াররা তো অনেক খুশি এবং এর আগেও আমরা নেভি ব্লু, ব্লু অনেক ধরনের কালার করেছি, তখন কিন্তু তুলনার কথা আসেনি। এই আজকে অরেঞ্জে কেন তুলনা আসছে? কারণ নীল আগে ভারত পড়েছে। বা অন্যান্য দেশের অনেক কালারের সাথে আমাদের এক হতেই পারে। আমরা, এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো যে আমরা কি ট্রেন্ডি, কি জিনিসটা স্যুট করে এবং আমার জন্য সবচেয়ে ইম্পর্টেন্ট হলো প্লেয়াররা কিট পেয়ে খুশি কিনা।’








