অস্ট্রেলিয়ার ভিন্ন কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি স্বাগতিকদের বিপক্ষেও লড়তে হবে বাংলাদেশ নারী দলকে। ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগে লাল সবুজ দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতির চাইছেন সেরাটা দয়ে স্বাগতিকদের চমকে দিতে পারবেন তারা।
শুক্রবার তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ। সিরিজ শুরুর আগে অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশন নিয়ে বলতে গিয়ে অধিনায়ক নিগার বলেন, ‘এখানকার পরিস্থিতি বাংলাদেশের জন্য একেবারেই ভিন্ন। সেই চ্যালেঞ্জের কথা মাথায় রেখেই প্রস্তুতি নিয়েছে দল। ইতোমধ্যে একটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলেছে দল, যা উইকেট ও কন্ডিশন সম্পর্কে ধারণা পেতে সাহায্য করেছে।’
অধিনায়কের মতে, কন্ডিশনের পাশাপাশি ম্যাচে সাফল্যের জন্য মানসিকতাটাও গুরুত্বপূর্ণ, ‘আমরা সত্যিই চাই, পুরো দল হিসেবে খেলতে। আমরা বিশ্বাস করি, যখন আমরা দল হিসেবে এবং একটি ইউনিট হয়ে খেলি, তখন যেকোনো দলকেই চমকে দিতে পারি।’
দীর্ঘদিন অস্ট্রেলিয়ায় কোচিং করার অভিজ্ঞতা থাকা হেম্প দলের খেলোয়াড়দের উইকেটের ধরন এবং অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়দের সম্ভাব্য কৌশল সম্পর্কে ধারণা দিয়েছেন বলেই জানান অধিনায়ক, ‘তিনি আমাদের বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। উইকেট কেমন হতে পারে, অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়রা কীভাবে আমাদের বিপক্ষে আক্রমণ করতে পারে। আমরা নেট সেশনে সেগুলো অনুশীলন করার চেষ্টা করছি।’
বেশ কিছুদিন ধরে ওয়ানডে না খেললেও ঘরের মাঠ কিংবা দেশের বাইরে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে ভালো করার সামর্থ্য বাংলাদেশের আছে বলে মনে করেন অধিনায়ক, ‘আমার মনে হয়, এই ফরম্যাটেই আমরা সবচেয়ে ভালো খেলি। দেশের মাটিতে হোক কিংবা দেশের বাইরে, এই ফরম্যাটে আমাদের ভালো করার সামর্থ্য আছে। আমরা এখানে ইতিবাচক ক্রিকেট খেলতে চাই।’
অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অন্যতম সেরা দল হলেও নির্দিষ্ট কোনও খেলোয়াড়কে নিয়ে অতিরিক্ত ভাবতে চান না বাংলাদেশের অধিনায়ক। নিজেদের পরিকল্পনা ও ইতিবাচক মানসিকতার ওপরই জোর দিচ্ছেন তিনি, ‘তারা বিশ্বের সেরা দল, এটা আমরা সবাই জানি। তবে তাদের বিপক্ষে আমরা কীভাবে খেলছি, আমাদের পদ্ধতিটা কেমন হচ্ছে, সেটার দিকেই বেশি নজর দিতে চাই। নির্দিষ্ট দিনগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের ইতিবাচক থাকতে হবে এবং তাদের বিপক্ষে ইতিবাচক মানসিকতা নিয়েই খেলতে হবে। আমরা অবশ্যই তাদের বিপক্ষে নিজেদের সেরাটা দিয়ে খেলবো।’