১৯৭১ সালের ২৪ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পক্ষে বিশ্বব্যাপী জনমত গড়ে তুলতে ভূমিকা রেখেছিল স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল। সেই তারকারাই নতুন করে একত্রিত হয়েছেন ভিন্ন এক মঞ্চে।
যেই মঞ্চে গঠিত হয়েছে বাংলাদেশ ক্রীড়া সমিতি। স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের ম্যানেজার তানভীর মাজহার ইসলাম তান্নার সভাপতিত্বে গত ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ক্রীড়া সমিতির এক সভা ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই ক্রীড়া সমিতি পুনর্গঠন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ প্রসঙ্গে নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান প্যাটেল বলেছেন, ‘পুনর্গঠনের প্রক্রিয়াটা বেশকিছু দিন আগে থেকেই চলছিল। অবশেষে আমরা ১৬ ডিসেম্বরে বেশ কয়েকজন একত্রিত হয়েছিলাম। যদিও অনেকেই আজ আমাদের মাঝে নেই। একটা চেতনা নিয়ে আমরা একাত্তরে একত্রিত হয়েছিলাম,সেটি ছিল দেশের জন্য কিছু করা। এখন নতুন এই মঞ্চের মাধ্যমে সবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখাই হবে মূলত আমাদের উদ্দেশ্য।’
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ ক্রীড়া সমিতি গঠিত হয়েছিল। সেই কমিটির অধীনে ভারতের বিভিন্ন স্থানে ফুটবল ম্যাচে অংশ নেয় স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল। সে সময় মোট ১৬টি ম্যাচ খেলে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার তহবিল সংগ্রহ করেছিল এই দল। যা পরবর্তীতে দেওয়া হয়েছিল মুক্তিযোদ্ধাদের।
পুনর্গঠিত কমিটি :
সভাপতি : তানভীর মাজহার ইসলাম তান্না, সাধারণ সম্পাদক : সাইদুর রহমান প্যাটেল, সহ-সভাপতি : কাজী সালাউদ্দীন ও এ কে এম নওশেরুজ্জামান, সহ-সাধারণ সম্পাদক : অমলেশ সেন, কোষাধ্যক্ষ : এ এফ এম বদিউজ্জামান খসরু, সাংগঠনিক সম্পাদক : শেখ আশরাফ আলী, দফতর সম্পাদক : মো. আবদুস সাত্তার মিয়া। সদস্য : মো. জাকারিয়া পিন্টু, এস এম আইনুল হক, প্রতাপ শংকর হাজরা, শাহজাহান আলম, এনায়েতুর রহমান খান, মো. লুৎফর রহমান, মো. তসলীম উদ্দিন শেখ, শেখ আবদুল হাকিম, মোহাম্মদ কায়কোবাদ, বিমল কর, ফজলে সাদাইন খোকন, সুভাষ সাহা, আবদুল মোমেন জোয়ার্দার, আমিনুল ইসলাম সুরুজ, মো. মুজিবুর রহমান, নিহার রঞ্জন দাস, অনিরুদ্ধ চট্টোপাধ্যায়, গোবিন্দ কুন্ডু, সঞ্জিত কুমার দে, বীরেন দাস বীরু, মো. আবদুল খালেক, মো. মোজাম্মেল হক, কানাই লাল শর্মা, মঈন সিনহা ও আবুল কাশেম খাঁন।
/আরএম/এফআইআর/