অনুশোচনায় খুব পুড়ছেন পেদ্রো, লাল কার্ড পেয়ে মাঠ না ছাড়লে কমিউনিটি শিল্ডের ফল অন্যরকম হতেই পারতো! স্প্যানিশ এই উইঙ্গারের মাঠ ছাড়ার পরপরই তো পিছিয়ে থাকা আর্সেনাল সমতায় ফেরে চেলসির বিপক্ষে। যাতে নির্ধারিত সময় ১-১ গোলে সমতায় শেষ হওয়ার পর ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে, যেখানে চেলসি খেলোয়াড়দের ব্যর্থতায় ৪-১ গোলে জিতে কমিউনিটি শিল্ডের শিরোপা উঠে আর্সেনালের ঘরে।
ওয়েম্বলির উত্তেজনাকর ম্যাচের প্রথমার্ধে দাপট দেখিয়েছে চেলসি। যদিও গোলের দেখা পায়নি তারা। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই পেয়ে যায় কাঙ্খিত লক্ষ্য। ভিক্টর ময়েসেস ৪৬ মিনিটে দারুণ এক গোল করলে এগিয়ে যায় ব্লুরা। গোল শোধে মরিয়া হয়ে ওঠা আর্সেনাল চেষ্টার কমতি রাখেনি। কিন্তু সুযোগগুলো ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারছিল না তারা। গানারদের সেই সুযোগটা তৈরি করে দেন পেদ্রো। ৮০ মিনিটে স্প্যানিশ এই তারকা আর্সেনালের মোহাম্মদ এলনেনিকে বাজেভাবে ফাউল করলে রেফারি সরাসরি লাল কার্ড দেখান তাকে।
পেদ্রোকে হারিয়ে ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া চেলসি মিনিট দুয়েক পরই খায় ধাক্কা। একজন খেলোয়াড় বেশি নিয়ে খেলার সুবিধা নিয়ে ৮২ মিনিটে আর্সেনালকে সমতায় ফেরান বদলি হিসেবে মাঠে নামা সেদ কোলাসিনাক। পরের সময়টায় এগিয়ে যাওয়ার ভালো সুযোগ পেয়েছিল আর্সেন ওয়েঙ্গারের শিষ্যরা। কিন্তু চেলসির কড়া রক্ষণে পেরে উঠেনি। ম্যাচ শেষ হয় ওই ১-১ গোলের সমতায়।
যাতে ফল নির্ধারণের জন্য টাইব্রেকারে গড়ানো শিল্ডে প্রথম কিক নিতে আসে আর্সেনালের থিও ওয়ালকট। ঠাণ্ডা মাথায় লক্ষ্যভেদ করে এগিয়ে নেন তিনি গানারদের। চেলসির হয়ে প্রথম শট নিতে আসা গ্যারি কাহিলও সফল। কিন্তু পারেননি তার সতীর্থরা। ইংলিশ চ্যাম্পিয়নদের হয়ে দ্বিতীয় স্পট কিক নিতে আসা গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া বল উড়িয়ে মারেন বারের ওপর দিয়ে। এবারের গ্রীষ্মের দলবদলে রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে চেলসিতে নাম লেখানো আলভারো মোরাতাও হন ব্যর্থ। বিপরীতে আর্সেনাল স্পট কিকের চার শটের চারটিই জালে জড়ালে পঞ্চম শটে যাওয়ার আর দরকার হয়নি আর্সেনালের। ৪-১ গোলের জয়ে মৌসুমের প্রথম শিরোপা জেতার উল্লাসে মাতে গানাররা। ইএসপিএন
/কেআর/








