নির্ধারিত সময় শেষ হতে তখন বেশি বাকি নেই। প্রথম সেমিফাইনালের খেলা অতিরিক্ত সময়ে যাবে কিনা, তা নিয়ে উত্তেজনা। ঠিক এমন সময় গোল করে বসলেন মোহাম্মদ জুয়েল! আর এই গোলেই শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবকে হারিয়ে স্বাধীনতা কাপ ফুটবলের ফাইনালে উঠেছে আরামবাগ।
কোয়ার্টার ফাইনালে আবাহনীকে তিন গোলে উড়িয়ে দিলেও সেমিফাইনালের প্রথমার্ধে আরামবাগ জ্বলে উঠতে পারেনি। বরং বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রথম ৪৫ মিনিট ছিল শেখ জামালের প্রাধান্য। বিরতির আগে দুটো ভালো সুযোগ পেয়েছিল ধানমন্ডির ক্লাবটি। ২৪ মিনিটে আনিসুর আলম সুইটের জোরালো ভলি ফিস্ট করেন আরামবাগের গোলরক্ষক আজম খান। আর বিরতির ঠিক আগে জাহেদ পারভেজ চৌধুরীর ক্রস আজমের গ্লাভস ছুঁয়ে ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে মাঠে।
বিরতির পর আক্রমণে ওঠে আরামবাগ, সুযোগও আসে ৫০ মিনিটের সময়। কিন্তু বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া আবু সুফিয়ান সুফিলের চিপ বেরিয়ে যায় দূরের পোস্ট ঘেঁষে। জুয়েল দুবার সুযোগ পেয়েছিলেন, কিন্তু দুবারই দুর্বল শট নিয়ে হতাশ করেন দলকে। এমনকি শেখ জামালের গোলরক্ষক মোহাম্মদ নাইমকে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি আরিফ।
অবশেষে ৮৯ মিনিটে গোলের দেখা পায় আরামবাগ। সুফিলের পাস থেকে জুয়েলের শট গোলরক্ষক নাইমের গায়ে লেগে জড়িয়ে যায় জালে। ইনজুরি সময়ে নুরুল আবসার ও জাভেদ দুটো সুযোগ নষ্ট করলে হার নিশ্চিত হয়ে যায় শেখ জামালের।
মাঝারি মানের দল নিয়েও ফাইনালে উঠে দারুণ খুশি আরামবাগের কোচ মারুফুল হক। খেলা শেষে তিনি বলেছেন, ‘দল ভালো খেলেই ফাইনালে উঠেছে। আমরা ফাইনালেও জিততে চাই।’







