কেন লিভারপুলকে নিয়ে এত আলোচনা হচ্ছিল, সেটা দেখিয়ে দিল তারা চ্যাম্পিয়নস লিগ কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে। যে ম্যানচেস্টার সিটিকে এবারের আসরের অন্যতম ফেভারিট ধরা হচ্ছে, সেই তাদেরকেই কিনা ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত করলো লিভারপুল।
অ্যানফিল্ডে ‘অল ইংলিশ’ কোয়ার্টার ফাইনালে বল পজেশনে পেপ গার্দিওয়ার দল এগিয়ে ছিল বরাবরের মতোই। তবে পায়ে বল থাকলে কীভাবে আক্রমণে যেতে হয়, সেটা আরেকবার দেখিয়েছে লিভারপুল। ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় প্রথমবার ম্যানসিটির মুখোমুখি হয়েই তাদের বাজিমাত। প্রিমিয়ার লিগের এবারের আসরে সিটিজেনদের একমাত্র দল হিসেবে হারের তিক্ত স্বাদ দেওয়া অলরেডস ঘরের মাঠে আবারও হতাশায় ডুবালো গার্দিওলার দলকে। মোহাম্মদ সালাহ, ওক্সলেড-চেম্বারলিন ও সাদিও মানের লক্ষ্যভেদে সেমিফাইনালে যাওয়ার পথে এখন ফেভারিট লিভারপুলই।
সালাহই প্রথম ছুরিটা বসান ম্যানচেস্টার সিটির সমর্থকদের বুকে। তবে মিশরীয় এই ফরোয়ার্ডের প্রশংসার চেয়ে বেশি সমালোচিত হবেন সিটিজেন ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দি। তার শিশুসুলভ ডিফেন্সেই ১২তম মিনিটে এগিয়ে যায় লিভারপুল। সালাহর পাস বক্সের ভেতর নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গোলমুখে শট করেছিলেন রবার্তো ফিরমিনো। তবে এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের শট প্রতিহত করেন তার স্বদেশি গোলরক্ষক এদেরসন। যদিও ঠিকমতো ক্লিয়ার করতে না পারায় বল চলে আসে ওতামেন্দির কাছে। আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারও ব্যর্থ। তবে ততক্ষণে গোলমুখের সামনে চলে আসা সালাহ আর ভুল করেননি। বল জড়িয়ে দেন জালে।
২০ মিনিটেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে লিভারপুল। ওক্সলেড-চেম্বারলিনের গোলটি ছিল দেখার মতো। বক্সের অনেকটা বাইরে থেকে আচমকা এক শটে লক্ষ্যভেদ করেন এই ইংলিশ তারকা। তার বুলেট গতির শট ঠেকানোর কোনও সুযোগই পাননি এদেরসন।
ওই উৎসবের পর প্রথমার্ধেই স্বাগতিকরা ব্যবধান ৩-০ করে মানের লক্ষ্যভেদে। ৩১ মিনিটে ফর্মের তুঙ্গে থাকা সালাহর চমৎকার ক্রস লাফিয়ে হেড করে বল জালে জড়ান এই ফরোয়ার্ড। তাতে প্রথমার্ধেই খেলা থেকে ছিটকে যায় ম্যানসিটি। দ্বিতীয়ার্ধেও পারেনি আর, ওই ৩-০ গোলে পিছিয়ে থেকে সামনের সপ্তাহে ঘরের মাঠ ইতিহাদে সেমিফাইনাল স্বপ্ন বাঁচাতে মাঠে নামবে ম্যানসিটি। গোল ডটকম







