ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু’র দৌড়ে আরও এগিয়ে গেছেন লিওনেল মেসি। ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে একবার লক্ষ্যভেদ করে লা লিগায় নিজের গোলের সংখ্যা নিয়ে গেছেন তিনি ৩৪-এ, প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সবচেয়ে কাছে থাকা মোহাম্মদ সালাহর চেয়ে ৩ গোল এগিয়ে।
লা লিগার শিরোপা নিশ্চিত হয়ে গেছে বার্সেলোনার। তবে ন্যু ক্যাম্পে ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষেও পুরোটা সময় মেসিকে খেলিয়েছেন কোচ এরনেস্তো ভালভারদে। হতাশ করেননি আর্জেন্টাইন খুদে জাদুকর। বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে লক্ষ্যভেদ করে আনন্দে ভাসান সমর্থকদের। এই লক্ষ্যভেদে চলতি লিগ মৌসুমে নিজের ৩৪তম গোলের দেখা পান মেসি।
লা লিগার সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে ‘পিচিচি ট্রফি’ একরকম নিশ্চিতই হয়ে গেছে মেসির। কারণ তার সবচেয়ে কাছে থাকা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর গোল সংখ্যা ২৫। এখন ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু জেতার পথেও আছেন সবার আগে। ইউরোপের ঘরোয়া লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা পান পুরস্কারটির। সেই হিসেবে আর্জেন্টাইন অধিনায়কের গোল সবচেয়ে বেশি।
মেসির গোল এখন ৩৪টি, হাতে আছে আরও দুই গোল। দ্বিতীয় স্থানে থাকা সালাহর গোল ৩১টি, তবে প্রিমিয়ার লিগে তার দল লিভারপুলের বাকি আছে আর মাত্র একটি খেলা। ৩ গোলের এই ব্যবধান মিশরীয় ফরোয়ার্ডকে ঘুচাতে হবে, আবার একই সঙ্গে প্রার্থনায় বসতে হবে বাকি থাকা দুই ম্যাচে যেন গোল না পান মেসি। অবশ্য গোল সমান হলে দুজনই ভাগাভাগি করে নেবেন এবারের গোল্ডেন শু।
তৃতীয় স্থানে থাকা রবার্ত লেভানদোস্কির গোল ২৯টি, বাকি আছে এক ম্যাচ। বায়ার্ন মিউনিখ স্ট্রাইকারের মতো চিরো ইমোবিলের ২৯ গোল হলেও খেলতে পারবেন আরও দুই ম্যাচ। ইন্টান মিলানের মাউরো ইকার্দির দুই ম্যাচে হাতে রেখে গোল ২৮টি। পিএসজি স্ট্রাইকার এদিনসন কাভানির অবস্থাও ঠিক তার মতোই। স্কাইস্পোর্টস
গোল্ডেন শু’র দৌড়ে যারা:
খেলোয়াড় | ক্লাব | গোল | ম্যাচ বাকি |
লিওনেল মেসি | বার্সেলোনা | ৩৪ | ২ |
মোহাম্মদ সালাহ | লিভারপুল | ৩১ | ১ |
রবার্ত লেভানদোস্কি | বায়ার্ন মিউনিখ | ২৯ | ১ |
চিরো ইমোবিল | লাৎসিও | ২৯ | ২ |
মাউরো ইকার্দি | ইন্টার মিলান | ২৮ | ২ |
এদিনসন কাভানি | পিএসজি | ২৮ | ২ |







