ইন্দোনেশিয়ায় এশিয়ান গেমসে অংশ নিয়ে মাত্র ঢাকায় ফিরলেও ফুটবলারদের দম ফেলার সময় নেই! সামনে ঘরের মাঠে সাফ ফুটবলের কঠিন পরীক্ষা। ‘দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্বকাপ’ নামে পরিচিত এই টুর্নামেন্টের আগে একটাই প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ। আগামী বুধবার নীলফামারীতে যে ম্যাচের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। তবে শ্রীলঙ্কা ম্যাচে এশিয়াডের সেরা একাদশের ফুটবলারদের না খেলার সম্ভাবনাই বেশি। কোচ জেমি ডে’র কথায় তেমনই ইঙ্গিত।
এশিয়াডে চারটি ম্যাচ খেলা ফুটবলারদের বিশ্রাম দিতে এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় দলের ইংলিশ কোচ, ‘এশিয়ান গেমসের চার ম্যাচে প্রায় একই একাদশ খেলেছে। স্বল্প সময়ের ব্যবধানে চারটি ম্যাচ খেলেছে বলে তাদের আর গেম টাইমের দরকার নেই। বরং ইন্দোনেশিয়ায় যারা খেলার সুযোগ পায়নি বা একেবারে কম পেয়েছে তাদের পরখ করা দরকার। তাদের ফিটনেসের কতটা উন্নতি হয়েছে সেটা আমি শ্রীলঙ্কা ম্যাচে দেখতে চাই।’
নীলফামারীর ম্যাচের পরই সাফের জন্য ২০ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করবেন কোচ, ‘শ্রীলঙ্কা ম্যাচের পারফরম্যান্স দেখে আমি সেরা ২০ জনকে বাছাই করতে চাই। তারুণ্য আর অভিজ্ঞতার মিশেলে গড়া হবে সাফ ফুটবলের দল।’
ইন্দোনেশিয়ায় মাঠে নামা প্রত্যেকের পারফরম্যান্স ছিল দুর্দান্ত। এশিয়াডে মূলত অনূর্ধ্ব-২৩ দল অংশ নিলেও তিন জন ২৩ ঊর্ধ্ব খেলোয়াড় রাখতে পারে প্রত্যেক দল। সিনিয়র খেলোয়াড়দের সামনে এখন সাফের দলে জায়গা পাওয়ার কঠিন চ্যালেঞ্জ। অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নাসিরউদ্দীন চৌধুরী এই চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত, ‘এশিয়াডে তরুণদের পারফরম্যান্স ভালো ছিল। সাফ ফুটবল মূল জাতীয় দলের লড়াই হলেও এশিয়াডের পর সিনিয়রদের পক্ষে সাফের দলে ঢোকা কঠিন। আমাদের ওপর এখন অনেক চাপ। তবে আমি আশাবাদী, পারফরম্যান্স দিয়ে সাফের দলে জায়গা করে নিতে পারবো।’
মিডফিল্ডার ইমন মাহমুদ বাবুও আশাবাদী, ‘যাদের ৯০ মিনিট খেলার সামর্থ্য আছে আর পারফরম্যান্স ভালো, তারাই সাফের দলে জায়গা পাবে। এশিয়াডে তরুণরা ভালো খেলেছে, এটা দলের জন্য সুখবর। এখন কোচ আমাদের শ্রীলঙ্কা ম্যাচে দেখার সুযোগ পাবেন। দলে সুযোগ পাওয়া আমাদের জন্য বেশ কঠিনই বলা যায়। তবে আমি আশা ছাড়ছি না।’







