বার্সেলোনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, নেইমারকে ফেরাতে সাধ্যের সবটাই করেছে তারা। তাদের চেষ্টা নিয়ে স্প্যানিশ মিডিয়ায় প্রশ্ন থাকলেও খেলোয়াড়দের চাওয়ায় কোনও ফাঁক ছিল না। দলের সিনিয়র সব খেলোয়াড়ই চেয়েছিলেন— ‘নেইমার বার্সেলোনায় ফিরুক’। আর সেজন্য নিজেদের বেতন কমানোর প্রস্তাবও দিয়েছিলেন মেসি-পিকেরা!
প্যারিস সেন্ত জার্মেই থেকে নেইমারকে ফেরাতে মোটা অঙ্কের অর্থ প্রয়োজন ছিল বার্সেলোনার। তাছাড়া পিএসজি নগদ ৩০০ মিলিয়ন ইউরো পেলে তবেই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডকে ছাড়তে রাজি ছিল। কিন্তু বার্সেলোনার পক্ষে এই অর্থ খরচ করার অবস্থা ছিল না। কারণ উয়েফার ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে (এফএফপি)।
আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের হিসাব মেলাতে বার্সেলোনার সিনিয়র খেলোয়াড়রা তাদের বেতন কমিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব করেছিল বোর্ডের কাছে। স্প্যানিশ রেডিও ‘কাদেনা সের’-এর এক অনুষ্ঠানে বিষয়টি জানিয়েছেন দলটির ডিফেন্ডার জেরার্দ পিকে।
নেইমারকে ফিরিয়ে আনতে বার্সা খেলোয়াড়দের ভূমিকা তুলে ধরেছেন তিনি এভাবে, ‘আমরা (সভাপতি জোসেপ মারিয়া) বার্তোমেউকে প্রস্তাব দিয়েছিলাম, আমাদের চুক্তিপত্রে হাত দেওয়ার। যাতে এফএফপির বিষয়টি সমাধান করা যায়। আমরা (খেলোয়াড়রা) বিষয়টা জানতাম।’
পিকে আরও যোগ করেছেন, ‘সভাপতির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক সবসময়ই দারুণ। তাকে (বার্তোমেউ) বলেছিলাম আমরা বিষয়টা (বেতন কাঠামো) বদল করতে রাজি, তবু যদি নেইমারকে ফেরানো যায়। আমরা যদি সাহায্য করতে পারি, তাহলে তো কোনও সমস্যা নেই। আমরা একটা পথ খোঁজার চেষ্টা করেছিলাম এবং বোর্ডও খুশি হয়েছিল বিষয়টিতে।’
২০১৭ সালে গ্রীষ্মের দলবদলে ২২২ মিলিয়ন ইউরোতে ন্যু ক্যাম্প ছেড়ে পিএসজি যোগ দেন নেইমার। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড বার্সেলোনা ছাড়ার আগেই তাকে সতর্ক করেছিলেন কাতালান ক্লাবটির খেলোয়াড়রা। এই প্রসঙ্গে পিকে বললেন, ‘আমরা ওকে আগেই বলেছিলাম, সে সোনার কারাগারে যাচ্ছে। অবশ্য ও এটাও জানে ওর জন্য (বার্সেলোনার) দরজা খোলা।’
গত গ্রীষ্মের দলবদলে অনেক চেষ্টার পরও নেইমারকে যখন বার্সেলোনা আনতে ব্যর্থ হলো, পিকে ভেবেছিলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেবেন। তার ভাষায়, ‘ভেবেছিলাম যদি বার্সেলোনায় আসতে না পারে, তাহলে হয়তো সে রিয়ালে চলে যাবে।’ মার্কা






