অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল জিতেছে যুব বিশ্বকাপ। এই জয়ে পুরো জাতি উদ্বেলিত। এটাই ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম কোনও বৈশ্বিক শিরোপা জয়। এর আগে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রিকেটীয় অর্জন ছিল ১৯৯৭ আইসিসি ট্রফি জয়। তবে সেটা ছিল আইসিসির সহযোগী সদস্য দেশগুলোর প্রতিযোগিতা।
শুধু ক্রিকেটেই নয়, দেশের যেকোনও খেলাতেই অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয় এক মাইলফক। পুরো জাতি এখন এই বিশ্বজয়ীদের বরণ করে নেওয়ার অপেক্ষায়। এটা যে শুধু ক্রিকেটের উৎসব নয়, সব খেলার জন্যই বড় অনুপ্রেরণা তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
অথচ কজন ভেবেছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলে দক্ষিণ আফ্রিকায় ইতিহাস গড়তে পারবে? যেকোনও খেলাতেই বিশ্বকাপ জেতা তো কম কথা নয়। এমন সাফল্যে অন্যরাও রঙিন। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের(বাফুফে) সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন বলেছেন, ‘এটা আমাদের বড় অর্জন। আমরা গর্বিত।এর জন্য সবাইকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমরা সবাই অনেক খুশি।’
ক্রিকেটের এই সাফল্যকে বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে নিচ্ছেন সাবেক এই ফুটবল তারকা, ‘ক্রিকেটের এই সাফল্যে আমরা নতুন করে অনুপ্রাণিত হচ্ছি। যে কোনও খেলার সাফল্যই আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে নেয়। সেটা ক্রিকেট কিংবা অন্য যেকোনও খেলাই হোক না কেন।’
দেশের ফুটবলে সাম্প্রতিক সময়ে সেভাবে কোনও সাফল্য নেই। দেশের অন্যতম জনপ্রিয় এই খেলাটির সাফল্যখরা কী নিকট ভবিষ্যতে ঘুচবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে সালাউদ্দিনের সোজা-সাপ্টা উত্তর, ‘এক খেলার সঙ্গে অন্য খেলার তুলনা করা ঠিক হবে না। এখানে তুলনা করার কিছু নেই। ক্রিকেটের কল্যাণে আমরা বড় সাফল্য পেয়েছি। আমার মনে হয় এটি এখন উপভোগ করা উচিত।’
বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজাও ক্রিকেটের এই সাফল্যে উদ্বেলিত,‘এটা আমাদের জন্য বড় মাইলফক। বড় অর্জন। অন্য সবাই এতে বেশি করে উৎসাহিত হবে। আমরা এসএ গেমসে ভালো করেছি। এবার বিশ্বকাপ জিতলাম। সুতরাং আমার মনে হয় একটা জায়গা থেকে বেরিয়ে এসেছি। এখন আমরা বিভিন্ন খেলায় সাফল্য পাচ্ছি।’
বাংলাদেশের আর্চার রোমান সানা যোগ্যতামান অর্জন করে খেলবেন টোকিও অলিম্পিকে। সেই রোমানকেও ছুঁয়েছে যুব বিশ্বকাপ ক্রিকেট জয়ের আনন্দ, ‘আমাদের সবার কাছেই অনেক ভালো লাগছে। তাদের প্রশংসা করে শেষ করা যাবে না। এখন তাদের পথ ধরে যদি সিনিয়ররাও ভালো করতে পারে তা হবে নতুন এক দিক।’








