ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এভাবে বুলডোজার চালাবে কে ভেবেছিল? প্রথমার্ধে ওলে গুনার সুলশারের দল ২-১ গোলে পিছিয়ে থাকলো। বিরতির পর তো নিজেদের চিরচেনা ফর্মে। এ এস রোমাকে কোনও সুযোগই দিলো না পগবা-রাশফোর্ডরা। এডিসন কাভানি ও ব্রুনো ফার্নান্দেজের জোড়া গোলে ৬-২ গোলে রোমাকে বিধ্বস্ত করে ইউরোপা লিগের সেমিফাইনালের প্রথম লেগ জিতে নিয়েছে। একই সময়ের অন্য সেমিফাইনালে ভিয়ারিয়াল ১০ জনের আর্সেনালকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালের পথে এগিয়ে গেলো।
ওল্ড ট্রাফোর্ডে ম্যাচের শুরু থেকে বল দখলের লড়াইয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড বেশ এগিয়ে ছিল। প্রথমার্ধে শটও নিয়েছিল ৮টি। কিন্তু তাদের দুর্ভাগ্য গোল হয়েছে মাত্র একটি। অন্যদিকে রোমা দুটি শট নিয়েই দুটিতেই গোল পেয়েছে!
ম্যানইউর হয়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজ ৯ মিনিটে গোল করে সমর্থকদের আনন্দে ভাসান। তবে ৬ মিনিট পর ম্যাচে সমতা আনে রোমা। লরেঞ্জো পেলেগিরিনি পেনাল্টি থেকে ১৫ মিনিটে রোমাকে সমতায় ফেরান। ৩৩ মিনিটে জেকো ব্যবধান দ্বিগুণ করে ম্যান ইউকে ব্যাকফুটে ফেলে দেন।
কিন্তু বিরতির পর ম্যানইউর আক্রমণে কোনও ভাটা পড়েনি। এই অর্ধে রোমার জালে গুনে গুনে পাঁচটি গোল দিয়েছে!
৪৮ মিনিটে গোলকিপারকে একা পেয়ে লক্ষ্যভেদ করেছেন এডিসন কাভানি। অ্যাসিস্ট করেছেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ। ৬৪ মিনিটে সতীর্থ একজনের শট গোলকিপার ফিরিয়ে দিলেও ফিরতি বলে সামনে থাকা কাভানির শট আর ফেরানো যায়নি। স্কোরলাইন হয় ৩-২।
৬৯ মিনিটে কাভানিকে ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বেজে উঠে। পেনাল্টি থেকে ব্রুনো ফার্নান্দেজ ৪-২ ব্যবধান করে রোমাকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন। ৭৫ মিনিটে পল পগবা হেডে স্কোরলাইন ৫-২ করলে রোমার হতাশা আরও বাড়ে। ম্যাচ শেষ হওয়ার চার মিনিট আগে গ্রিনউড ষষ্ঠ গোল করে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন।
ভিয়ারিয়ালের মাঠে আর্সেনালের বিপক্ষে প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে থাকে স্বাগতিকরা। ম্যাচের ৫ মিনিটে ত্রিগুইরেস শুরুতে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। রাউল আলবিওল ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ২৯ মিনিটে।
বিরতির পর একপর্যায়ে উভয় দল ১০জন নিয়ে খেলেছে। ৭৩ মিনিটে একটি গোল শোধ দেয় আর্সেনাল। নিকোলাস পেপের গোলে ব্যবধান কমালেও আর্সেনাল শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে হার নিয়ে মাঠ ছেড়েছে।







