ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের সর্বশেষ ম্যাচে লিভারপুলের কাছে ৫ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। তবে নিজেদের দশম ম্যাচে এসে ঘুরে দাঁড়িয়েছে রেড ডেভিলরা। দলের বড় তারকা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর নৈপুণ্যে ইউনাইটেড ৩-০ গোলে হারিয়েছে টটেনহাম হটস্পারকে। এছাড়া লা লিগায় এলচের বিপক্ষে ভিনিসিয়ুসের জোড়ায় ২-১ গোলে জিতেছে রিয়াল মাদ্রিদ।
প্রতিপক্ষের মাঠে বল দখলে এগিয়ে থেকে আক্রমণে গেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ম্যাচ ঘড়ির ২৫ মিনিটে কাভানির হেড পোস্টের বাইরে দিয়ে না গেলে তখনই এগিয়ে যেতে পারতো ওলেগানার সুলশারের দল।
৩৩ মিনিটে ফ্রেডের শট প্রতিহত করে গোলকিপার লরিস টটেনহামকে ম্যাচে রাখেন। তবে ৬ মিনিট পর আর নিজেদের জাল অক্ষত রাখতে পারেনি টটেনহাম। রোনালদোর লক্ষ্যভেদে এগিয়ে যায় ইউনাইটেড। ব্রুনো ফারনান্দেজের ক্রসে পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড দারুণ ভলিতে জাল কাঁপান।
বিরতির পরও দাপট অব্যাহত ইউনাইটেডের। ৬৪ মিনিটে রোনালদোর অ্যাসিস্টে দ্বিতীয় গোল এসেছে এডিসন কাভানি গোলকিপারের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন।
ম্যাচের শেষ দিকে এসে ইউনাইটেড তৃতীয় গোলের দেখা পায়। ৮৬ মিনিটে রাশফোর্ড গোল করে প্রতিপক্ষকে ম্যাচ থেকে পুরোপুরি ছিটকে দেন।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ১০ ম্যাচে পঞ্চম জয়ে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে আছে। টটেনহাম সমান ম্যাচে পঞ্চম হারে আগের ১৫ পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম স্থানে।
এদিকে, লা লিগায় এলচের বিপক্ষে রিয়াল মাদ্রিদের জয়ের নায়ক ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ব্রাজিল জাতীয় দলে জায়গা না পেয়ে যেন রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে জ্বলে উঠেছেন ভিনিসিয়ুস!
আক্রমণ-প্রতি আক্রমণ নির্ভর ম্যাচে ২২ মিনিটের সময় বাঁ পায়ের কোনাকুনি শটে প্রথম লক্ষ্যভেদ করেন ভিনিসিয়ুস।
পাঁচ মিনিট পর নিজেদের মাঠে এলচের সমতায় ফেরার সুযোগ নষ্ট হয়। সতীর্থের ক্রসে লুকাস পেরেসের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে বেঁচে যায় রিয়াল মাদ্রিদ। বিরতির পর এলচে ১০ জনের দলে পরিণত হয়। ৬৩ মিনিটে টনি ক্রুসকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মার্চিং অর্ডার পান স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রাউল গুতি।
১০ মিনিট পর রিয়াল ব্যবধান দ্বিগুণ করে। ৭৩ মিনিটে মদ্রিচের দারুণ পাসে দুরূহ কোণ থেকে দলকে আবারও এগিয়ে নেন ভিনিসিয়ুস।
তবে এলচে ৮৬ মিনিটে একটি গোলও শোধ দিয়েছে। প্রতিপক্ষের ভুলে বল পেয়ে যান পেরে মিলা। নিচু শটে লক্ষ্যভেদ করতে ভুল হয়নি এই স্প্যানিশ উইঙ্গারের। শেষ পর্যন্ত রিয়াল ২-১ স্কোরলাইন রেখে মাঠ ছেড়েছে।
১১ ম্যাচে সাত জয় ও তিন ড্রয়ে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ফিরেছে রিয়াল মাদ্রিদ। সমান পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে নেমে গেছে রিয়াল সোসিয়েদাদ।









