এএফসি কাপের প্লে অফ খেলতে গিয়ে কলকাতায় আবাহনী লিমিটেড ও এটিকে মোহনবাগান একই হোটেলের ছাদের নিচে।
নাবীব নেওয়াজ জীবন খেলা নিয়ে আগে থেকেই রোমাঞ্চিত ছিলেন। এছাড়া মোহনবাগানের অধিনায়ক প্রীতম কোটালের সঙ্গে যে তার আগে থেকেই বন্ধুত্ব। শনিবার (১৬ এপ্রিল) কলকাতায় পৌঁছে হোটেলে এক ফাঁকে দুজনের দেখাও হয়ে গেলো। স্বল্প সময়ের দেখায় দুজন দুজনার খোঁজখবরও নিলেন।
আসলে ক্যারিয়ারের দুঃসময়ে একবছর আগে ভারতের অন্যতম রক্ষণস্তম্ভ প্রীতম কোটালকে পাশে পেয়েছিলেন জীবন। কলকাতায় লিগামেন্টে অস্ত্রোপচার করতে গিয়ে প্রীতম ও তার হবু স্ত্রী বেশ সহায়তা করেছিলেন তাকে। করোনার শুরুর সময়ে এমন সহায়তা পেয়ে আবাহনী লিমিটেডের স্ট্রাইকার জীবনের কাছে তখন মনে হয়েছিল যেন নিজের দেশেই ছিলেন!
সেই থেকে দুই বাংলার এই দুই ফুটবলারের মধ্যে দারুণ সম্পর্ক।
আজ হোটেলে প্রীতম ও তার স্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর ছবি পোস্ট করে জীবন নিজের ফেসবুকে লিখেছেন, আমার খারাপ সময়ে প্রীতম ও সোনেলা দিদি (প্রীতমের স্ত্রী) নিজের ভাইয়ের মতো যত্ন করেছে। মোহনবাগানের বিপক্ষে খেলার খবর শুনে আমি খুব রোমাঞ্চিত। কেননা খেলার ফাঁকে যে ওদের সঙ্গে দেখা হবে। আসলে খেলায় কোনও সীমারেখা নেই।
আগামী ১৯ এপ্রিল মোহনবাগানের বিপক্ষে আবাহনী লিমিটেড মাঠে নামবে। আজ প্রথম দিন সেখানে পৌঁছে হোটেলেই জিম ও সুইমিং করেছে কলিনদ্রেস-জীবনরা। আগামীকাল রবিবার মাঠের অনুশীলনে নামার কথা রয়েছে।
তবে তার আগে মোহনবাগান অধিনায়কের সঙ্গে ম্যাচ নিয়ে কোনও কথাই হয়নি জীবনের। বাংলা ট্রিবিউনকে জীবন বলেন, আসলে আমরা অল্প সময়ের জন্য সাক্ষাৎ করেছিলাম। কুশল বিনিময় হয়েছে। খেলা নিয়ে কোনও আলোচনাই হয়নি। ম্যাচের আগে আরও দুদিন আছে। হয়তো এরই ফাঁকে আবারও দেখা হবে। তখন হয়তো খেলা নিয়ে কথাও হবে।








