লিওনেল মেসিকে নিষিদ্ধ করার পর থেকেই যে নামটি আলোচনায় তিনি হলেন পিএসজি কোচ ক্রিস্তফ গালতিয়ের। শোনা যায় আর্জেন্টাইন অধিনায়কের সৌদি আরব সফরের ক্ষেত্রে সায় ছিল না তার। দুই সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞার শাস্তি ঘোষণায় কোচের সংশ্লিষ্টতা শোনা গেলেও তিনি নাকচ করেছেন সেসব।
রবিবারের ত্রয়েসসের বিপক্ষে মুখোমুখি হওয়ার আগে গালতিয়ের বলেছেন, ‘আসলে বোর্ডই আমাকে মেসির নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি অবগত করেছে। যেহেতু আমি ক্লাবের অধীনে চাকরি করি। তাই ওই বিষয়ে আমার মন্তব্য না করাটা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।’
এ সময় তিনি নিজের সংশ্লিষ্টতার কথা উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, ‘ক্লাব আমাকে নিয়োগ দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে আমার কোনও সংশ্লিষ্টতা নেই। আমাকে শুধু সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।’
লিগ ওয়ানে পিএসজি শীর্ষে অবস্থান করছে। কিন্তু সাম্প্রতিক বাজে ফর্মে দুইয়ে থাকা মার্শেইর সঙ্গে পয়েন্ট ব্যবধান বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে। এমন সময়ে মেসির এই ঘটনা ভালোভাবে নেননি পিএসজি ভক্তরা। তারা মেসিকে কেন্দ্র করে অশালীন ভাষায় আক্রমণ তো করেছেনই। ক্ষোভ জানিয়েছেন ইনজুরিতে মাঠের বাইরে থাকায় নেইমারের প্রতিও। তাও আবার ব্রাজিলিয়ান তারকার বাইরের সামনে জড়ো হয়ে। ‘চলে যাও’, ‘চলে যাও’ বলে স্লোগান দিয়েছেন তারা।
লিগ ওয়ানে পিএসজি শীর্ষে অবস্থান করছে। কিন্তু পিএসজির সাম্প্রতিক বাজে ফর্মে দুইয়ে থাকা মার্শেইর সঙ্গে পয়েন্ট ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে। যেখানে সব প্রতিযোগিতা মিলে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ৯ ম্যাচ অপরাজিত ছিলেন তারা। এর পরই ঘটেছে ছন্দপতন। হেরেছে ৯টি ম্যাচ! এমন সময়ে মেসির এই ঘটনা ভালোভাবে নেননি পিএসজি সমর্থকেরা। তারা মেসিকে কেন্দ্র করে অশালীন ভাষায় আক্রমণ তো করেছেনই। ক্ষোভ জানিয়েছেন ইনজুরিতে মাঠের বাইরে থাকা নেইমারের বাড়িতে গিয়েও। ‘চলে যাও’, ‘চলে যাও’ বলে স্লোগান দিয়েছেন তারা।
এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন গালতিয়ের। তবে নেইমার আগামী মৌসুমে দলে থাকবেন কিনা সে বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি, ‘নেইমারের বাড়ির বাইরে এই ধরনের বিক্ষোভের বেলায় আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। কারণ ব্যক্তিগত জীবন সব সময় ব্যক্তিগত থাকা উচিত। তাদের রাগ, হতাশার বিষয়টি আমি বুঝতে পারি। এক্ষেত্রে ট্রেনিং গ্রাউন্ড অথবা পিএসজি অফিসে প্রতিবাদ জানানো যেতে পারে। কিন্তু কারও বাড়িতে এই ধরনের ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়। হোক সেটা নেইমার বা অন্য কারও বেলায়।’









