এবারের মৌসুমে বলার মতো কিছু নেই রিয়াল মাদ্রিদের। লা লিগা শিরোপা হাতছাড়া হয়েছে। গতকাল তো ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চ চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনাল থেকেও বিদায় নিয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। হতাশার মৌসুমে কার্লো আনচেলত্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে তাই প্রশ্ন উঠা অস্বাভাবিক না। কিন্তু রিয়াল মাদ্রিদ কোচ মনে করেন, ঝুঁকিতে নেই তার চাকরি।
সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে মোটেও রিয়ালকে রিয়ালের মতো মনে হয়নি। বরং ইতিহাদে ঘরের দল হিসেবেই ম্যানচেস্টার সিটি দাপট দেখিয়েছে। বের্নার্দো সিলভার জোড়ায় শেষ লেগে ৪-০ গোলে জিতেছে সিটি। দুই লেগ মিলিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ হেরেছে ৫-১ ব্যবধানে।
আনচেলত্তি পুনরায় ফেরার পর ২০২১-২০২২ মৌসুমে লা লিগার পাশাপাশি জিতেছেন চ্যাম্পিয়নস লিগ। আছে উয়েফা সুপার কাপ, কোপা দেল রে ও ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপাও। কিন্তু ৪-০ গোলে সেমিফাইনালের হারটা তার ব্যর্থতাকে আঙুল দিয়ে দেখাচ্ছে। কারণ ২০০৯ সালের পর এত বড় হারের তিক্ত স্বাদ নিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।
কার্লো আনচেলত্তির চুক্তি ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত থাকলেও নড়বড়ে পরিস্থিতিতে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন। কিন্তু লস ব্লাঙ্কোসদের কোচ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেছেন, ‘এটা নিয়ে কারও সন্দেহ নেই। কারণ রিয়াল মাদ্রিদ প্রেসিডেন্ট দুই সপ্তাহ আগেও নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। ফলে কেউ সংশয়ের মাঝে নেই।’
কোপা দেল রেতে ওসাসুনাকে ২-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ক্লাব প্রেসিডেন্ট পেরেজ বলেছিলেন, ‘আনচেলত্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে আর কোনও কিছু শুনতে চাই না। তার চুক্তি মেয়াদ আছে এবং আমরাও তাকে নিয়ে সন্তুষ্ট।’
আনচেলত্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে যে কোনও সংশয় নেই সেটি জোর গলায় বলেছেন তার দুই শিষ্য লুকা মদরিচ ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়রও। মদরিচের কথা, ‘এই কোচ চালিয়ে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট। এটা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।’ ভিনিসিয়ুস যোগ করে বলেছেন, ‘অবশ্যই আনচেলত্তিকে চলমান থাকতে হবে। হতে পারে দিনটা আমাদের ছিল না। কিন্তু এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের সামনে তাকাতে হবে।’









