অনেকটাই সুলেমানে দিয়াবাতের ওপর ভর করে ফেডারেশন কাপের ফাইনাল জিতেছিল মোহামেডান স্পোর্টিং। হলুদ কার্ডের কারণে প্রিমিয়ার লিগের ফিরতি পর্বে চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংসের বিপক্ষে খেলেননি মালির স্ট্রাইকার। তার অনুপস্থিতিতে শুরুতে আগে গোল করে সাদা-কালোরা অন্যরকম ইঙ্গিত দিয়েছিল। তবে বসুন্ধরা পরিস্থিতি সামলে দুই গোল করে ম্যাচে দারুণভাবে লিড নেয়। শেষের দিকে ১০ জনের দল হয়ে ওঠা মোহামেডানকে ২-১ গোলে হারিয়ে লিগে ১৬তম জয় তুলে নিয়েছে অস্কার ব্রুজনের দল।
বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনাতে ম্যাচ ঘড়ির ২ মিনিটে মোহামেডান আগে গোল করে চমক দেখায়। রজারের লং বল থেকে বক্সে ঢুকে ইমানুয়েল ডান পায়ের জোরালো শটে জাল কাঁপান। ডিফেন্ডার কাজী তারিক ও গোলকিপার সাইফুলের কেউই গোল আটকাতে পারেননি।
সাদা-কালোদের প্রতি আক্রমণ নির্ভর খেলার বিপরীতে বসুন্ধরা পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফিরতে সময় বেশি সময় নেয়নি। জাতীয় দলে প্রথম সুযোগ পাওয়া তরুণ শেখ মোরছালিন দারুণ খেলেছেন। বিরতির আগে দুই গোল করে সাদা-কালোদের টপকে যায় রবিনিয়ো-মিগেলরা।
৪ মিনিটে কর্নার থেকে মিগেলের হেড রক্ষণে বাধা পায়। ১০ মিনিটে বসুন্ধরা সমতায় ফেরে। শেখ মোরছালিনের ডিফেন্স চেড়া পাসে মিগেল গোলকিপারের পাশ দিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন। ২৮ মিনিটে মোরছালিনের জোরালো শট গোলকিপার শুয়ে পড়ে রক্ষা করেন।
৪০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে বসুন্ধরা। রাকিব ডান প্রান্ত দিয়ে ঢুকে একজনকে ডজ দিয়ে আরেক ডিফেন্ডারে পায়ের ফাঁক দিয়ে গোলকিপার বিপুকে পরাস্ত করেন। ড্রেসিংরুম থেকে ফিরে এসে ফ্লাড লাইটের আলোয় মোহামেডান শুরুর দিকেই সমতাসূচক গোল পেতে পারতো। ৪৭ মিনিটে ইমানুয়েলের শট বারের নিচে লেগে প্রতিহত হয়। ফিরতি বলে আমির হাকিম বাপ্পীর শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। শেষ ১০ মিনিটে বসুন্ধরা গোল পেতে গিয়েও পায়নি।
৭৮ মিনিটে রবিনিয়োর শট পোস্টের পাশ দিয়ে যায়। ৮৫ মিনিটে মোহামেডান ১০ জনের দলে পরিণত। মিগেলকে ফাউল করলে মুজাফফরাভকে লাল কার্ড দেখান রেফারি। তবে ১০ জনের মোহামেডানের ওপর চড়াও হলে বসুন্ধরা পারেনি আর গোল ব্যবধান বাড়াতে।
বসুন্ধরা কিংস ১৮ ম্যাচে ১৬ জয়ে ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে। মোহামেডান এক ম্যাচ কম খেলে ষষ্ঠ হারে আগের ২৩ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে। সমান পয়েন্ট নিয়ে গোলব্যবধানে পিছিয়ে থেকে পাঁচে শেখ রাসেল।









