কম্বোডিয়ার বিপক্ষে শেষ মুহূর্তে লাল কার্ড দেখেছিলেন ডিফেন্ডার কাজী তারিক রায়হান। ফলে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ম্যাচে তার খেলা নিয়ে শঙ্কা ছিল। সুখবর হলো সেই ম্যাচে কার্ড পেলেও সাফ টুর্নামেন্টে সেটি ধর্তব্যের মধ্যে রাখা হয়নি। ফলে আজ লেবাননের বিপক্ষে কাজী তারিককে একাদশে রেখেই মাঠে নামতে যাচ্ছে বাংলাদেশ দল। একাদশে আজ আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছে ঈসা ফয়সালেরও।
র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে ৯৩ ধাপ এগিয়ে থাকা লেবাননের (৯৯স্থান) বিপক্ষে একাদশে তেকাঠির নিচে আছেন অভিজ্ঞ আনিসুর রহমান জিকো। রক্ষণে কাজী তারিক ছাড়াও আছেন ঈসা ফয়সাল, তপু বর্মণ ও বিশ্বনাথ ঘোষ। মধ্যমাঠে জামাল ভূঁইয়ার পাশাপাশি রয়েছেন সোহেল রানারা। উইং দিয়ে মজিবর রহমান জনি ও ফয়সাল আহমেদ ফাহিম আক্রমণে উঠার চেষ্টা করবেন। ‘নম্বর নাইন’ হয়ে খেলবেন সুমন রেজা।
লেবাননের বিপক্ষে বাংলাদেশের ৪-১-৪-১ ছকে খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। তাতে প্রতি আক্রমণ নির্ভর খেলে যদি গোল করা যায়।
২০১১ সালে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দ্বিতীয় রাউন্ডে দুই লেগে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ-লেবানন। ২৩ জুলাই বৈরুতে বাংলাদেশ ৪-০ গোলে হার মানে। তবে ঢাকায় লাল-সবুজদের প্রতিশোধের জয় আসে ২-০ গোলে। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য। বিরতির পর এসেছে দুটি গোল। ৫৬ মিনিটে মিঠুন চৌধুরীর গোলে আসে অগ্রগামিতা। ৮৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আরেক স্ট্রাইকার জাহিদ হাসান এমিলি। হাভিয়ের কাবরেরার দল আজও তেমন একটি জয়ের অপেক্ষায়।
বাংলাদেশের একাদশ:
আনিসুর রহমান জিকো, জামাল ভূঁইয়া, তপু বর্মণ, সুমন রেজা,ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, বিশ্বনাথ ঘোষ, কাজী তারিক রহমান, মোহাম্মদ সোহেল রানা, সোহেল রানা, ঈসা ফয়সাল ও মজিবর রহমান জনি।









