মোহামেডান স্পোর্টিং একদিক দিয়ে কিছুটা নির্ভার থাকতে পারে। ফাইনালে ওঠার পথে অন্তত আবাহনী কিংবা বসুন্ধরা কিংসের মতো শক্তিশালী দল বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। স্বাধীনতা কাপের সেমিফাইনালে প্রতিপক্ষ রহমতগঞ্জকে হারাতেই পারলেই ট্রফি ছোঁয়া দূরত্বে পৌঁছানোর সুযোগ আসবে। আর তা করার জন্য জোর প্রস্তুতি শেষে শুক্রবার দুপুর পৌঁনে দুইটায় গোপালগঞ্জের শেখ ফজলুল হক মনি স্টেডিয়ামে লড়াইয়ে নামতে যাচ্ছে দেশের মোহামেডান।
অনেক দিন পর ঘরোয়া ফুটবলে খরা কাটিয়ে মোহামেডান একটি শিরোপা পেয়েছে গতবার। ফেডারেশন কাপের ট্রফি জিতে নিজেদের নতুন করে আত্মপ্রকাশ ঘটিয়েছে। তাই এ মৌসুমে আটঘাট বেঁধে মৌসুম শুরুর টুর্নামেন্ট স্বাধীনতা কাপে শেষ চারে জায়গাও করে নিয়েছে। শেষ আটের লড়াইয়ে আলফাজ আহমেদের দল ১-০ গোলে চট্টগ্রাম আবাহনীকে হারিয়েছে।
শুক্রবারও জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চাইছে সাদা-কালোরা। দলটির কোচ সাবেক তারকা স্ট্রাইকার আলফাজ তাই আত্মবিশ্বাসী সুরে প্রতিপক্ষকে সমীহ করে বলেছেন, ‘ডু অর ডাই ম্যাচ হবে। দুইদলের সামনে জেতার সুযোগ আছে। রহমতগঞ্জকে অন্য চোখে দেখলে হবে না। সুবিধা বলে কোনও কথা নেই। ওরা তো অন্যদের হারিয়ে এই জায়গায় এসেছে। আমরা সর্বোচ্চা চেষ্টা দিয়ে ফাইনালে যাওয়ার চেষ্টা করবো।’
মোহামেডানের আলফাজের মতো কোচ আছে। শক্তির ভাড়ে কিছুটা এগিয়েও। বিপরীতে রহমতগঞ্জ তো নক আউট পর্ব খেলছে হেড কোচ ছাড়াই! নিয়মিত কোচ কামাল বাবু গ্রুপ পর্বের মাঝামাঝি অবস্থায় থেকে বিদায় নিয়েছেন। আপাতত গোলকিপিং কোচ হুমায়ুন কবির সবকিছু সামলাচ্ছেন।
নক আউট পর্বে পুরনো ঢাকার দলটি পুলিশের মতো দলকে ২-১ গোলে হারিয়েছে। তাই এবার ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন দেখছে সুশান্ত ত্রিপুরা-নুরুল নাইম ফয়সাল-জুয়েল রানাদের নিয়ে গড়া রহমতগঞ্জ। ক্লাবটির সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ সবুজ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘আমাদের হেড কোচ নেই। সামনের দিকে বিদেশ থেকে আনার চেষ্টা করছি। হেড কোচ ছাড়াই দল সেমিতে উঠেছে। আশা করছি মোহামেডানকে হারিয়ে ফাইনালেও যেতে পারবো।’








