কাতারে এশিয়ান কাপে টানা চার ম্যাচ ‘জম্বি’ স্টাইলে খেললো দক্ষিণ কোরিয়া। নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষ হওয়ার পরও হাল ছেড়ে দেয়নি। ম্যাচে প্রাণ ফিরিয়ে তার পর ম্যাচ জিতেই মাঠ ছেড়েছে। সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়াকেও অতিরিক্ত সময়ের গোলে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে নিশ্চিত করেছে সেমিফাইনাল। নির্ধারিত সময়ের পর এভাবে ম্যাচে ফেরায় তাদের ফুটবলের নাম হয়ে গেছে ‘জম্বি ফুটবল’। অর্থাৎ যারা মৃত্যুকেও হার মানিয়ে বাঁচতে চায়
কোয়ার্টার ফাইনালে পরাজয় থেকে কয়েক সেকেন্ড দূরে ছিল সন হেয়ুং মিনরা। ৪২ মিনিটে গুডউইনের একমাত্র গোলটিতে অস্ট্রেলিয়া জয়ের পথেই ছিল। কিন্তু যোগ হওয়া সময়ে পাল্টে যায় ম্যাচের ভাগ্য। সন ফাউলের শিকার হলে যোগ হওয়া সময়ের ৯৬ মিনিটে পেনাল্টি থেকে দক্ষিণ কোরিয়াকে সমতায় ফেরান হোয়াং হি চ্যান। তার পর ম্যাচটা অতিরিক্ত সময়ে গড়ালে টটেনহাম তারকা সন গড়ে দেন পার্থক্য। দারুণ এক ফ্রি কিকে ম্যাট রায়ানকে পরাস্ত করেন তিনি।
যোগ হওয়া সময়ে আবার দশ জনের দলেও পরিণত হয় সকারুস। বিপজ্জনক ফাউল করে মাঠ ছাড়েন অ্যাইডেন ও’নিল।
১৯৬০ সালে সর্বশেষ শিরোপা জেতা দক্ষিণ কোরিয়া টানা দ্বিতীয় রাউন্ডেই ছিটকে যেত। শেষ ষোলোতেও সৌদি আরবের বিপক্ষে সমতায় ফেরে অতিরিক্ত সময়েই। তার পর টাইব্রেকারে শেষ হাসি হেসেছে কোরিয়ানরা।
এখন শেষ চারও নিশ্চিত হওয়ায় কোচ ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যান কিছুটা হলেও নির্ভার! কারণ এক বছর আগে নিয়োগ পেলেও কোরিয়ান ভক্তদের মন জয় করতে পারেননি। ম্যাচের পর ‘জম্বি ফুটবল’ প্রশ্নে তার প্রতিক্রিয়া ছিল, ‘এখন যে কোনও নামে আমি সন্তুষ্ট। এই ছেলেরা অসাধারণ, অনেক ভালো টিম। হয়তো কোরিয়ান ভক্তদের প্রত্যাশার চাপটা আমাদের মনের ভেতরে কাজ করছে বলেই এমনটা হচ্ছে। কারণ ৬০ বছরের বেশি সময় হয়েছে শিরোপা জেতা হয়নি।’








